Showing posts with label ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন. Show all posts
Showing posts with label ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন. Show all posts

Tuesday, February 25, 2014

Auto Pilot এর জগতে আপনাকে স্বাগতম!! এবার অনলাইনে আয় হবে ধুমছে!!!!

একবার এক অলস ব্যক্তি একটি আম গাছে নীচে বসে আরাম করছিল। কিছু দূরে গাছ হতে একটি পাকা আম পরল। কিন্তু লোকটা এতটাই অলস যে আমটা নিয়ে খাওয়ার মত তার কাজ করতে ইচ্ছা করছে না, কিন্তু আমসে খাবেই। পথে এক লোক যাচ্ছে তার কাজে, অলস ব্যক্তিটি তাকে ডাক দিয়ে বলল, ভাই আমটা একটু আমাকে খাইয়ে দেবেন? লোকটা মনে মনে চিন্তা করল নিশ্চই প্রতিবন্ধী অথবা কোন রোগে আক্রান্ত। তাই সে খাওয়াতে লাগল। কিছু ক্ষন পর পথিকটি জিজ্ঞেস করল ভাই আপনার এই অবস্থা হল কিভাবে? অলস ব্যক্তিটি বলল না ভাই। আমি ভাল আছি, আমি আসলে একটু অলস তো তাই নিজে ছুলে খেতে ইচ্ছা করছে না। পথিকটির মাথা গরম হয়ে গেল। সে কিছু না বলেই অলসকে মারতে আরম্ভ করল। কিছু দূরেই গাছের ছায়ায় বসা এক মানুষ আরো উৎসাহ দিচ্ছে তাকে মারার জন্য। তখন পথিক তাকে জিজ্ঞেস করল ভাই আপনি কেন এরকম করছেন? তখন লোকটি বলল ভাই ওই হারামিরে বলছিলাম, আমার মুখে এক কুকুর মূত্র ত্যাগ করছে, তাকে যেন তাড়াই দে। কিন্তু সে দে নাই।
ভাইয়েরা আমার যাদের এই রকম অবস্থা তাদের জন্য আমার আজকের এই টিউন।

অনেকের হোস্টিং ডোমেইন নিয়ে ব্লগ সাইট খুলছেন কিন্তু লিখতে বিন্দু মাত্র ইচ্ছা বা শক্তি নেই, তাদেরকে বলব, অটো ব্লগিং রোবট ব্যবহার করুন। কিভাবে পাবেন? গুগলে সার্চ দেন। সেটা করারও শক্তি না থাকলে আমাকে বলতে পারবেন।

আপনার সাইট কি পেনাল্টি হবে?
না ভাই, যদি আপনি লেখার শেষে সোর্চ দেন হবে না।
  • ব্র্যান্ডেড সাইট টার্গেট করুন।
  • ভাল সাইট টার্গেট করুন
আপনি যদি নিউজ সাইট চালান কিন্তু টাইমের অভাবে সাংবাধিকতা করছেন না, তাহলে auto blogging করে আপনার সাইট হতে টাকা কামান।
সুবিধাঃ
আপনার ছোট সাইটকে বড় করে তুলুন।
অটো নিউজ পাব্লিস
এফিল্কেট
কিভাবে টাকা আয় করবেন?
বিভিন্ন এড ফার্মে একাউন্ট খুলে আপনার সাইটে এড দেখান।

Friday, December 27, 2013

এবার আয় করুন খুব সহজে catena finance সাইট থেকে।

আমাদের অনেকেই চান যে কাজ না করে শুধু ইনভেস্ট করে টাকা কামাতে। তার জন্য আমি এমন একটা সাইটের লিংক দিলাম যে আপনি ইনভেস্ট করে নিশ্চিন্তে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। কিন্তু বেশির ভাগ সাইটই স্ক্যাম অথবা সম্পূর্ণ পেমেন্ট করে না।তাই অনেকেই ক্ষতির মুখে পড়েন ।সাইটটিতে সোম থেকে শুক্রবার ইনভেস্ট করা যায়।সর্বনিম্ন ১ ডলার ইনভেস্ট করা যায়। এই সাইটটিতে মোট ৩ টি প্লান আছে।আপনার ইনভেস্টমেন্টের ২% কমিশন দেয়।একবার ইনভেস্ট করলে আপানি ৩৬৫ দিন কমিশন পাবেন।প্রতিদিনের কমিশন প্রতিদিন উঠানো যায়।তাই আর দেরি না করে আজই join করনে।নিচে লিংক দিলাম-
https://www.catenafinance.com/?ref=shuvenker999
নিচে payment proof দিলাম….
catena 1

catena2

আমার skype — shuvenker99
N.B- সাইটটি সোম থেকে শুক্রবার খোলা থাকে। তাই সাইটিতে ইনভেস্ট করতে হলে সোম থেকে শুক্রবারে করবেন। ২২ তারখি পর্যন্ত নতুন বছরের এর  জন্য বিশেষ অফার…

আসুন Adfoc.us এ আমরা কি ভাবে কাজ করবো তার নিয়ম জেনেনিই

এখানে আমরা যেকোন URL লিখব এর পরে নিচে একটি নতুন URL দিবে এটা আপনি যেকোন সাযিটে এড আকারে লিংক দিয়ে প্রচার করতে পারেন এ ছাড়া আপনি facebook , youtube , tweeter এছাড়াও
24techtunes.blogspot.com,priyo.com
ইত্যাদি সাটিয়ে অড আকারে লিংক দিয়ে আপনার Adfoc.us এ আয় করতে পারেন।
এছাড়াও আপনি অটো ক্লিক সাইটি থেকেও দিনে $4–$5 ডরাল আয় করতে পারেন।
আটো ক্লিক সাইট যেমন —http://addmefast.com/ ,,  http://hitleap.com ,, ইত্যাদি সাইট আছে সেখান থেকে আপনি ভিজিট বড়াতে পারেন।
আটো ক্লিক Softwer আছে যেমন –adfoc.us Beast ,,  ADF.Ly Bot 2.0 [BasicTutorialHD] – আপনারা চাইলে নিচের লিংক থেকে Download করতে পারেন।
http://www.mediafire.com ,, এখানে না পাওয়া গেলে আন্য সাইট থেকে Download  করতে পারেন।
এখান থেকেও আপনি আয় করতে পারেন   তবে আর ফাও ইন্টানেট না চারাই আয় করা সুরু করুন।

অনলাইনে কাজ করে আয় করুন

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আমিও আপনাদেরদোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।আউটসোর্সিং নিয়ে অনেক কিছু শুনেছেন আমিও শুনেছি।কিছু লোক referral বাড়ানোর জন্যে অনেক কিছু লেখে যার অনেক কিছুই সত্য নয়।আজ আমি কিভাবে তুলনামূলক কম পরিশ্রমে আয় করা যায় ও আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করব।আর যারা student,পড়াশুনা নিয়ে চাপে থাকতে হয় মূলকথা যারা ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসাবে নিবেন না তদের মাসিক খরচ চালানোর জন্য আজকের লেখা।
নেটে কাজ করে আয় করতে হয়।কাজ ছাড়া কেউ টাকা দেবে না।যেখানে কাজ না করে বা একদম অল্প করে আয় এর লোভ দেখানো হয় সেগুলো সব ভূয়া।আপনার account এ টাকা জমা হবে কিন্তু payment পাবেন না।
freelancing site গুলোতে যে পরিমান সময় দেয়ার দরকার তা student দের জন্য হয়ে উঠে না।তাছাড়া বিট করা,বায়ার এর সাথে contact ইত্যাদি তো আছেই।আজকাল অনেক student কিছু আয় এর জন্য পড়াশনা নষ্ট করছে যা মারাত্তক ভুল।ছাএদের এটা part time job হিসাবে রাখা উচিত পড়াশনা বাদ দিয়ে করা উচিত নয়।
এখানে কাজ করতে হলে কম্পিউটার থাকতে হবে এবং একটি PC দিয়ে কেবল একটি Account খুলবেন।
5$ হলেই তুলতে পারবেন payza বা বিকাশ এর মাধ্যমে। registration এর জন্যে এখানে যান। Registration complete হলে site এ sign-in করুন, কিছু add click, task, pro-grid বিভিন্ন কাজ আছে যা আপনি সহজেই করতে পারবেন।
আপনার ইনকাম আরো বাড়াতে চাইলে আপনার রেফারাল লিংকটি আপনার friends দের send করতে হবে। আপনার friends রা  রেফারাল লিংকটির মাধ্যমে registration করলেই আপনার ইনকাম বাড়বে।
Registration করতে এখানে ক্লিক করুন

Sunday, December 15, 2013

অনলাইনে আয় করুন! মাত্র ১ দিনে আয় করেছি ১.৫০ ডলার!

আশা করি আপনারা সবাই একরকম আছেন ( দেশের যে হাল! )
আজকে আপনারা সবাই আয় করতে পারেন এই সাইট থেকে! এটা একটা এলিট সাইট। এটা একটা পিটিসি  সাইট ।
আয় করার নিয়মঃ প্রথমে পেইড টু কিল্কে ক্লিক করুন। তারপর make money তে যান তারপর Daily Surveyrs Click And Complete Any Offer. আপনি এই সাইট সম্নধে একটা YouTube video বানালে আপনি পাবেন০.৫০ ডলার। Cashout Request দিলে ১ ঘণ্টার মধ্যে Payza or, paypal এ পেমেন্ট দেয়।
লিঙ্কঃ Click Here । এর আগে দুইটি স্পেস কমিয়ে আমাকে রেফারেল করুন। প্লিজ।
আমাকে রেফারেল করলে আপনি পাবেন ০.১০ ডলার। সত্যি। কারন আমি একজনকে রেফার করে জইন করি আর আমি পাই ০.১০ ডলার
Happy Erning icon lol অনলাইনে আয় করুন! মাত্র ১ দিনে আয় করেছি ১.৫০ ডলার!

Friday, December 13, 2013

পৃথিবীর সবচেয়ে সহজে অনলাইনে আয়, আমি করছি আপনিও করেন

অনেকেই বলে অনলাইনে আয় করা খুব সহজ।কিন্তু চেষ্টা করতে গেলে দেখা যায় তা অনেক ধৈর্যের ও যোগ্যতার প্রয়োজন। তো যাদের ধৈর্য ও যোগ্যতা নেই তারা কি করবে? তাদের জন্যই আমার পোস্ট।আপনেরা অনেকেই adfly এর নাম শুনেছে।বিরক্তিকর এই এডফ্লাই-এর জন্য অনেকেই adfly blocker ব্যবহার করে ব্রাউজারে।আজ আমি এই Adfly নিয়েই টিউন করব। কেন? কারণ এই এড-ফ্লাই হল এক মাত্র সহজ ইনকামের রাস্তা।কিভাবে এড ফ্লাইদিয়ে  সহজে আয় করে চলুন দেখে নেই।
প্রথমে https://Adf.ly গিয়ে ইমেইল দিয়ে একটি একাউন্ট খুলুন। তারপর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন। লগিন করলে একটি ড্যাশবোর্ড আসবন। সেখানে আপনার লিঙ্ক দিনঃ
ad master 2  
Shrink বাটনে ক্লিক করলে আপনার লিঙ্ক টি নিচের চিত্রের মত ছোট হয়ে গেসে।
ad master 3  
এবার এই শর্ট লিঙ্ক আপনার সাইটে শেয়ার করেন।বন্ধুদের দিন। লিঙ্কে গেলে ৫ সেকেন্ড ওয়েট করতে হবে তারপর Skip বাটনে ক্লিক করলে আপনের পেইজ আসবে।
কোথায় আপনার লিঙ্ক শেয়ার করলে বেশী ক্লিক পাবেন
  • Adfly এর নিয়ম হইল ১০,০০০ ক্লিকে ৫ ডলার দেয়। মানে ২০০০ ক্লিকে ১ ডলার তবে আপনি যদি আমেরিকার ভিজিটর আনতে পারেন তাহলে ১০০০ ক্লিকেই ৫ ডলার পাবেন। তাই আমেরিকার ভিজিটর আনেন
  • কিভাবে আমেরিকানদের আনবেন? খুব সহজ আপনি ইংলিশ মুভি ডাউনলোড সাইট খুলেন অথবা বিভিন্ন প্রিমিয়াম সফটওয়ারের ডাউনলোড লিঙ্ক আপনার ফেসবুক পেইজে বা ওয়েবসাইটে দেন। প্রচুর ভিজিটর আসবে।
আমি এই লাইনে নতুন।মাত্র ২ সপ্তাহ কাজ করসি একটা মুভি ডাউনলোড সাইটে তারপর থেকে এখন প্রতি মাসে ১০ ডলার পাচ্ছি।নিচের ছবিতে দেখেন আজকে মাসের ১৪ তারিখ আমি ৩.৫ ডলারের পৌছে গেছি।
ad master 04 
আমার এই লিঙ্কে ক্লিক করে একাউন্ট খুলুনঃ http://adf.ly/?id=2567816

Sunday, December 8, 2013

Clicksia টিউটোরিয়াল (নতুনদের জন্য)

আজকে আমরা জানব Clicksia সম্পরখে Clicksia এমন একটি Website যেখান থেকে আমরা Pay To Click এবং Microjob ২টি-ই পাব Clicksia Reliable Site এবং পেমেন্ট খুব ভাল দেয়। এখানে কাজ করতে গিয়ে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে খুব ভাল ইনকাম করা যায়। যারা এর আগে Microworkers এ Microjob করে অভ্যস্ত তারা জানেন সেখানে কিছু problem আছে যেমন ছোট কাজ সবসময় থাকে না আবার পেমেন্ট উঠাতে ১০ ডলার হতে হয় কিন্তু Clicksia ১ ডলার হলে ই তা তুলতে পারবেন। এছারা কাজ মুটামুটি থাকে সবসময় আর তার পর য় যদি সমস্যা হ্য় তাহলে Freelancer Zone তো আছেই। Freelancer Zone এর এমন অনেক মেম্বার আছে যারা কাজ করে না বা Microjob করে না শুধু Pay To Click করে বা খুব বেশি কাজ করে না Freelancer Zone তাদের কাছ থেকে কাজ নিয়ে আপনাকে দিয়ে দিবে এবং পেমেন্ট এর নিশ্চয়তা ও তারা ই দিবে। তো যাই হক এইবার মূল কথাতে আশা যাক -

Clicksia এ Account Open করার জন্য এই লিঙ্ক এ ক্লিক করুন নিচের মত পেজ আশবে।

JOIN US বাটন এ ক্লিক করুন। নিচের পেজ এর মত পেজ আসবে।
 
সব কিছু Fill Up করুন আমি নিচে I Agree দিতে ভুলে গাছি উপরের ছবিতে আপ্নারা দিয়ে নিবেন এরপর ক্যাপচা দিয়ে Join Button এ ক্লিক করুন।
আপনার মেইল এ লগিন করুন Confirmation Link এ ক্লিক করুন ব্যাস হয়ে গেল Clicksia Account.
 
উপরের ছবিটি আপনার আকাউন্ট এর হোম পেজ এর ছবি এখানে আপনার আয়, কাজের এবং অনান্য বিবরনি পাবেন।
এখন কাজ শুরু করতে হলে-
Pay To Click কাজ শুরু করতে হলে উপরে View Adds Button এ ক্লিক করুন এখন নিচের পেজ এর মত একটি পেজ আসবে।
 
প্রতিদিন সাধারানত Clicksia ১২/১৪ টি কাজ দিয়ে থাকে তবে প্রথম দিন Pay To Click কাজ একটু বেসি দেওয়া থাকবে। খেয়াল করুন পেজ এ ৪ টি কলাম আছে প্রথম টি Title পরের টি Time(s) মানে পেজ টিতে আপনাকে কত সময় ব্যয় করতে হবে, তারপরের টি PPC সোজা কথায় এর মানে কত টাকা পাবেন এই ক্লিক টির জন্য শেষের টি Target । Pay To Click Ad এ ক্লিক করার পরে নিচের পেজ এর মত পেজ আশবে।
 
সম্পুর্ন পেজটি আপনার ব্রাউজার এ লোড হয়ার পরে দেখবেন পেজটির উপরের অংশ এর দিকে লক্ষ করবেন দেখবেন পেজ টি উপরে লোডিং হচ্ছে এমন দেখা যাবে। এর পর নিচের পেজ এর মত ক্যাপচা আশবে।
 
সঠিক ক্যাপচা তে ক্লিক করার সাথে সাথে আপনার Account এ Balance জমা হয়ে যাবে ।
এইবার হল Microjob, Microjob কে Clicksia তে বলা হয় Sing up offer ত যাই হক এই কাজ পেতে আপনাকে
ডানদিকের member panel থেকে Earning Area তে ক্লিক করতে হবে এবং নিচের পেজ এর মত পেজ আশবে।

এখান থেকে Offer & Task select করুন । অথবা উপরের Complete Offers বাটন এ ক্লিক করুন। এখন নিচের পেজ এর মত পেজ আশবে ।
 
পেজ টি অনেক লম্বা তাই সুম্পূর্ন পেজ এর ছবি দিলাম না। এইখানে থেকে আপনার পছন্দ মত কাজ নির্বাচন করুন। নিচের পেজ এর মত পেজ আশবে এখন।
 
এইখানে “Instruction” এর নিচে কাজ কিভাবে বায়ার চায় তা পাবেন অবশ্যই সেই অনুসারে কাজটি শেষ করে নিচের Fill in the required information. এ গিয়ে Username এবং অন্যকিছু চাইলে তা দিয়ে দিন। আর হ্যা অবশ্যই বায়ার যেই লিঙ্ক দিবে অই লিঙ্ক এ ক্লিক করে কাজ(sing-up) করবেন .
এই ব্যাপারে আরো টিটোরিয়াল Freelancer Zone থেকে পাবেন। তবে কাজ করতে গিয়ে কিছু সাবধানতা রাখবেন।
১. সবসময় Fake Name Use করবেন কারন এক সাইট এর sign up কাজ অনেক বার আশে আর তাই IP change করে কাজ করলে তা আর ভাল।
২. ভাল আয় করতে চাইলে প্রতিদিন ১০ টি করে কাজ করবেন।
৩. Freelancer Zone এর Admin দের কাছ থেকে পরামর্শ নিন
৪. Freelancer Zone এর GROUP এ জয়েন করুন ।
টাকা তুলার পদ্ধতি ঃ টাকা তুলতে হলে কমপক্ষে 1$ ব্যালেন্স হতে হবে, টাকা তুলতে পারবেন PayPal অথবা Payza দিয়ে বাংলাদেশ থেকে paypal একাউন্ট করা যায় না তাই Payza দিয়ে ই তুলতে হবে। Incentria /Clicksia Account থেকে আপনার Payza Account এ টাকা আশতে সর্বচ্চ ৭ দিন সময় লাগে। Payza থেকে Bank এ টাকা Withdraw দিয়ে ক্যাশ করা যায় অথবা ব্যালান্স বিক্রি করে দিয়ে অ ক্যাশ করে নেয়া যায়।

Tuesday, December 3, 2013

চমতকার একটি Pay to Click সাইট, কাজ করার সাথে সাথে পে-আউট, আমি পেলাম ২ ডলার !!!

ক’দিন আগে জেনুইন কিছু Pay to Click সাইটের খোজে নেটে বসেছিলাম। মনে মনে ভাবছিলাম
যদি এমন কোন Pay to Click সাইট পেয়ে যেতাম যারা সাথে সাথে পেমেন্ট করে। আমার
চিন্তাটি যেন বাস্তবরূপ পেল। হঠাত করে এরকম একটি Pay to Click সাইট পেয়ে গেলাম, যারা
কাজ করার সাথে সাথে পেপাল একাউন্টে টাকা দিয়ে দিচ্ছে। আর আপনার পেপাল
একাউন্ট না থাকলেও চিন্তার কিছু নেই, কারণ ২ ডলার হলেই আপনি আপনার এলার্টপে
একাউন্টে ট্রান্সফার বা পেআউট করে নিতে পারবেন। আমি গতকাল রাতে আমার
এলার্টপে একাউন্টে ২ ডলার পেআউট করেছিলাম। সকালে দেখি এলার্টপে থেকে মেইল
এসেছে। এলার্টপে একাউন্ট খুলে দেখি তারা আমার একাউন্টে ২.০৯ ডলার পাঠিয়ে
দিয়েছে। এলার্টপে .৩৫ সেন্ট কেটে নেয়ার পর সর্বমোট পেলাম ১.৭৪ ডলার। আর
অপেক্ষা না করে আপনারাও এখানে একাউন্ট খুলে সহজেই অনলাইন আয় শুরু করতে পারেন। যাদের payza একাউন্ট নেই, তারা এখান থেকে payza
একাউন্ট খুলে নিতে পারবেন। আপনার এলার্টপে একাউন্টটি আপনার মোবাইল নাম্বার
দিয়ে ভেরিফাই করে নিবেন। Pay to Click সাইটটিতে রেজিস্টার করার পর, সাইটের উপরে
ডানদিকে PAID TO CLICK লেখাতে ক্লিক করে আপনার আয় শুরু করুন। আপনার পেপাল
একাউন্ট থাকলে withdraw তে গিয়ে সাথে সাথে আপনার আয় করা টাকা তুলে নিন। আর ২
ডলার হলে এলার্টপে একাউন্টে টাকা তুলতে পারবেন।
100% Trusted Pay to Click এখানে একাউন্ট খুলে

ফাইল শেয়ার করে আয় করুন !২৫০জিবি ফাইল হস্টিং ফ্রী

প্রতিনিয়তই আমরা অনলাইনে বিভিন্ন কারণে ছবি, ভিডিও, সফটওয়ার আরো কতকিছুই আপলোড করে থাকি। এই আপলোডকৃত ফাইল থেকে যদি কিছু আয় করা যায় তবে মন্দ কি। এমনই একটা ফাইল শেয়ারিং সাইট  একদম ফ্রিতে 250 GB পর্যন্ত ফাইল আপলোড করতে পারবেন,  আর আপনার এই আপলোডকৃত ফাইলগুলো যে কেউ ডাউনলোড করলে আপনার একাউন্ট ব্যালান্স বৃদ্ধি পাবে। তো আর দেরি না করে আজই  আপলোড শুরু করুন আর আপনার আপলোডকৃত ফাইলগুলো বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।
1000 ডাউনলোড এ আপনি 10$ পর্যন্ত আয় করতে পারবেন …।।
আসুন দেখে নেয় কিভাবে ফাইল শেয়ার করে আয় করা যায়-
১. এখানে ক্লিক করুন এবং নির্দেশনা অনুযায়ী সাইন আপ করুন।
২. এইবার Up Load buttonএ ক্লিক করে ফাইল আপলোড করুন।
৩. আপলোডকৃত লিঙ্কটি আপনার বন্ধুদের সাথে এবং অনলাইনে বিভিন্ন সাইটে শেয়ারে করুন।
৪. আপনার লিঙ্কধরে যতবার ফাইল ডাউনলোড হবে তত আপনার একাউন্ট ব্যালেন্স বৃদ্ধি পেতে থাকবে।
৫. শুধু ফাইল শেয়ার নয়, আপনি টুসফাইল এর ডাউনলোড পেজ এ আপনার অ্যাড ও ব্যাবহার করার সুযোগ পাবেন ।


এবার দেখাব অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অ্যাড করবেন ?
1. আপনার অ্যাকাউন্ট এ লগিন করার পর My Account এ ক্লিক করুন
২. এবার Affiliate এ ক্লিক করুন
1 ফাইল শেয়ার করে আয় করুন !২৫০জিবি ফাইল হস্টিং ফ্রী
এর পর দেখবেন নিচের মত পেজ আসছে এখান থেকে>>>>
১. আপনি কোথায় থেকে টাকা তুলবেন তা সিলেক্ট করুন.
যেমনঃ       *Payza
*Perfect Money
*Webmoney
*Wire Transfer
*Payoneer
*Amazon Gift Card২. এবার আপনার অ্যাকাউন্ট ইমেইল লিখুন…
৩.সব শেষ আপনার Save Setting এ ক্লিক করে বের হয়ে আসুন …।
2 ফাইল শেয়ার করে আয় করুন !২৫০জিবি ফাইল হস্টিং ফ্রী
এবার দেখাব কিভাবে টাকা উত্তোলন করবেন ?

My Acoount থেকে Request payout এ ক্লিক করুন । নিচে দেখুন >>
3 ফাইল শেয়ার করে আয় করুন !২৫০জিবি ফাইল হস্টিং ফ্রী
এবার নিচের মত পেজ আসবে ।।
১. 10$ হলে  Request Payout দিয়ে  আপনি টাকা উঠাতে পারবেন ।
২. প্রতি মাসের ১৫ তারিখ টাকা পাঠাবে তারা ।
৩. আপনি যে মাসে টাকা তুলবেন সে মাসের ১৫তারিখের ৭দিন আগে Request Payout দিতে হবে !
4 ফাইল শেয়ার করে আয় করুন !২৫০জিবি ফাইল হস্টিং ফ্রী
তাই আর দেরি কেন?
এখনি এখানেক্লিক করে সাইন আপ করে ফাইল আপলোড করুন আর শেয়ার করুন …।



শুধু ফাইল আপলোড করে উপার্জন করুন ইন্টারনেট থেকে

শুধু ফাইল আপলোড করে উপার্জন করুন ইন্টারনেট থেকে
index5 শুধু  ফাইল আপলোড করে উপার্জন করুন ইন্টারনেট থেকে

ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয় করতে চান ? খুব সহজে ?
ইন্টারনেটে ফাইল আপলোড করুন। যখনই কেউ সেই ফাইল ডাউনলোড করবে প্রতি ডাউনলোডের জন্য আপনি টাকা পাবেন।
কি আপলোড করবেন তা নিয়েও ভাবার কিছু নেই। বিভিন্ন টরেন্ট সাইট, ইউটিউব যেখান থেকেই হোক না কেন, জনপ্রিয় ফাইল ডাউনলোড করে আপলোড করুন।
ফাইল শেয়ারিং ইন্টারনেটের জনপ্রিয় একটি ব্যবস্থা।
j শুধু  ফাইল আপলোড করে উপার্জন করুন ইন্টারনেট থেকে
প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ সফটঅয়্যার, গেম, ভিডিও, অডিও থেকে শুরু করে সব ধরনের ফাইল আদান-প্রদান করছে।
যে সাইটগুলি এই কাজ পরিচালনা করে তারাও নিজেরা অর্থ বানাচ্ছে বিজ্ঞাপন সহ অন্যান্য পদ্ধতিতে। ধরে নিতে পারেন এটা তারই অংশ। যে সাইটে বেশি ডাউনলোডের জিনিষপত্র থাকে সেখানে ভিজিটর বেশি, কাজেই তারা একাজে কিছু অর্থ ব্যয় করে।
এজন্য আপনার প্রয়োজন শুধুমাত্র একটি ভাল ইন্টারনেট সংযোগ।
বিনামুল্যে এই সেবা দেয় এমন একটি সাইটে গিয়ে রেজিষ্টার করুন। ফাইল আপলোড করুন। সাথেসাথে আয় আসতে শুরু করবে।
এধরনের একটি সাইট শেয়ারক্যাশ। এখানে বিনামুল্যে সদস্য হওয়া যায়। আপলোড করা প্রতিটি ফাইলের সাইজ সর্ব্বোচ্চ ২০০ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারবে।
ভিডিওসহ আরো বড় ফাইল আপলোডের জন্য বিকল্প পথ রয়েছে। পাছওয়ার্ডসহ জিপ করে ফাইলটি আপলোড করুন পাইরেট-বে কিংবা এধরনের সাইটে।
পাছওয়ার্ডটি আপলোড করুন এদের কাছে। মুল ফাইলের সাথে টেক্সট ফাইলে লিখে দিন পাশওয়ার্ড কোথায় থেকে ডাউনলোড করতে হবে।
কিছু নিয়ম অবশ্যই রয়েছে। কপিরাইট আইন ভঙ্গ করবেন না, পনোর্গ্রাফি আপলোড করবেন না ইত্যাদি।
শেয়ারক্যাশ আপনাকে টাকা দেবে প্রতি ডাউনলোডের জন্য ৩০ থেকে ৬০ সেন্ট। আমেরিকা, বৃটেন ইত্যাদি দেশের জন্য ৬০ সেন্ট, ছোট দেশের জন্য কম এই নিয়মে। প্রতি ১০০ ডাউনলোডের জন্য পাবেন ৩০ থেকে ৬০ ডলার, প্রতি হাজারে ৩০০ থেকে ৬০০ ডলার।
তারা টাকা দেবে চেক অথবা পে-পলের মাধ্যমেচ অথবা পেয়যা বা পেয়নার মাস্টার কার্ড এর মাধমে ।
আরও বিস্তারিত জানতে এবং শেয়ারক্যাশে রেজিষ্টার কর
index5 শুধু  ফাইল আপলোড করে উপার্জন করুন ইন্টারনেট থেকে
ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয় করতে চান ? খুব সহজে ?
ইন্টারনেটে ফাইল আপলোড করুন। যখনই কেউ সেই ফাইল ডাউনলোড করবে প্রতি ডাউনলোডের জন্য আপনি টাকা পাবেন।
কি আপলোড করবেন তা নিয়েও ভাবার কিছু নেই। বিভিন্ন টরেন্ট সাইট, ইউটিউব যেখান থেকেই হোক না কেন, জনপ্রিয় ফাইল ডাউনলোড করে আপলোড করুন।
ফাইল শেয়ারিং ইন্টারনেটের জনপ্রিয় একটি ব্যবস্থা।
j শুধু  ফাইল আপলোড করে উপার্জন করুন ইন্টারনেট থেকে
প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ সফটঅয়্যার, গেম, ভিডিও, অডিও থেকে শুরু করে সব ধরনের ফাইল আদান-প্রদান করছে।
যে সাইটগুলি এই কাজ পরিচালনা করে তারাও নিজেরা অর্থ বানাচ্ছে বিজ্ঞাপন সহ অন্যান্য পদ্ধতিতে। ধরে নিতে পারেন এটা তারই অংশ। যে সাইটে বেশি ডাউনলোডের জিনিষপত্র থাকে সেখানে ভিজিটর বেশি, কাজেই তারা একাজে কিছু অর্থ ব্যয় করে।
এজন্য আপনার প্রয়োজন শুধুমাত্র একটি ভাল ইন্টারনেট সংযোগ।
বিনামুল্যে এই সেবা দেয় এমন একটি সাইটে গিয়ে রেজিষ্টার করুন। ফাইল আপলোড করুন। সাথেসাথে আয় আসতে শুরু করবে।
এধরনের একটি সাইট শেয়ারক্যাশ। এখানে বিনামুল্যে সদস্য হওয়া যায়। আপলোড করা প্রতিটি ফাইলের সাইজ সর্ব্বোচ্চ ২০০ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারবে।
ভিডিওসহ আরো বড় ফাইল আপলোডের জন্য বিকল্প পথ রয়েছে। পাছওয়ার্ডসহ জিপ করে ফাইলটি আপলোড করুন পাইরেট-বে কিংবা এধরনের সাইটে।
পাছওয়ার্ডটি আপলোড করুন এদের কাছে। মুল ফাইলের সাথে টেক্সট ফাইলে লিখে দিন পাশওয়ার্ড কোথায় থেকে ডাউনলোড করতে হবে।
কিছু নিয়ম অবশ্যই রয়েছে। কপিরাইট আইন ভঙ্গ করবেন না, পনোর্গ্রাফি আপলোড করবেন না ইত্যাদি।
শেয়ারক্যাশ আপনাকে টাকা দেবে প্রতি ডাউনলোডের জন্য ৩০ থেকে ৬০ সেন্ট। আমেরিকা, বৃটেন ইত্যাদি দেশের জন্য ৬০ সেন্ট, ছোট দেশের জন্য কম এই নিয়মে। প্রতি ১০০ ডাউনলোডের জন্য পাবেন ৩০ থেকে ৬০ ডলার, প্রতি হাজারে ৩০০ থেকে ৬০০ ডলার।
তারা টাকা দেবে চেক অথবা পে-পলের মাধ্যমেচ অথবা পেয়যা বা পেয়নার মাস্টার কার্ড এর মাধমে ।
আরও বিস্তারিত জানতে এবং শেয়ারক্যাশে রেজিষ্টার কর

 আরও বিস্তারিত জানতে এবং শেয়ারক্যাশে রেজিষ্টার করতে এখান  এ খোঁচা মারুন ।

Monday, December 2, 2013

Odesk Spelling Test পাস করার সহজ কৌশল।

Odesk Spelling Test পাস করার সহজ কৌশল।
 আজকে আমি আপনাদের সাথে  এর বেপারে কথা বলভো। আমরা যারা নতুন Odesk এ Account registration করি।তখন আমাদের Profile ১০০% করতে হয়। আর তা Complete করতে না পারলে weakly বেশী কাজ এর জন্য Application করা যাইনা।আর তখন ১০০% Profile এর দরকার হয়।Profile ১০০% করার জন্য প্রথমেই আসে Odesk Readiness test।এটার মদ্দে পাস করলেও তখন Skill test চাই।তখন অনেকেই Odesk skill test নিয়ে অনেক problem face করি। আজকে তেমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। প্রথমে সবার আগে আশে Odesk Readiness test এর নাম।আর এটা তে ১০০% পাস করতে হবে। আর এটা যতবার ইচ্ছা exam দিয়া যায় ফেল করলে।But আর যে exam গুলু আছে স গুলু আকবার ফেল করলে আবার ১ মাস পরে Exam দিতে হবে। আর আজকে আপনাদের সাথে আরও একটি Exam এর বেপারে আলচনা করবো আর সেটা হলো Odesk Spelling test. এই Exam এর জন্য এক্ টা কৌশল অবলমবন করলে অতি সহজ়েই পাস করা যাই।আর এটা পাস করলে আপনার Odesk profile ১০০% হবে।পাস করার পরে আপনি ইচ্ছা করলে weakly ১৫ টা কাজ এর জন্য বিড করতে পারবেন।
আমরা এখন কিভাবে odesk spelling test এ সহজেই পাস করতে পারি তার কৌশল নিয়ে আলোচনা করবো।
আপনি Exam Start করার আগেই MS office Word open kore নিবেন।
প্রথমেই যখন Question আসা শুরু করবে।
তখন আপনি Question০ টা কে  keyboard থেকে  Ctrl+A  চেপে Select করবেন।তারপর  keyboard থেকে   Ctrl+C   চেপে  copy করে MS office এ গিয়ে  paste  করে দিবেন। তখন দেখবেন যে  Answer গুলু ভুল সে গুলোর নিচে লাল দাগ পরবে। আর যেটা সঠিক তার নিচে কোন লাল দাগ পরবে না তখন আপনি জার নিচে লাল দাগ পরবে না সেটা সঠিক।আবার অনেক সময় ভুল Answer ও চাই। তাই সেটা খেয়াল রাখবেন।
আর আপ্নারা এভাবেই এই exam এ পাস করে যেতে পারবেন।
আর Odesk Readiness test এবং  Odesk Spelling test এর Answer সরাসরি এখানে দেয়া আছে। আপ্নারা এই page থেকে collect করতে পারেন।
আর আপনারা এই page এ এসে আরও অনেক Information পেতে পারেন।
তার জন্য আপনাদের এখানে আসতে হবে।
Fagebook page Link

দোস্ত তুই নাকি ফ্রিল্যান্সিং করে অনেক টাকা ইনকাম করস! আমারে একটু শিখিয়ে দে না…

“দোস্ত তুই নাকি ফ্রিল্যান্সিং করে অনেক টাকা ইনকাম করস! আমারে একটু শিখিয়ে দে না...” বন্ধুবান্দব দের এই ধরনের কথায় মাঝে মাঝে অস্বস্তিই লাগে। ফ্রিল্যান্সিং কি শেখানোর মত জিনিষ? অনেককেই বুঝাতেই পারি না ফ্রিল্যান্সিং কিংবা আউটসোর্সিং শেখানোর মত কোন বিষয়। অনেকেই আবার প্রশ্ন করে “তাইলে অনলাইনে লোকজন টাকা আয় করে কিভাবে?”। মনে মনে বলি, দাড়া তোর জন্য আসলেই ফ্রিল্যান্সিং কি এই জিনিষটা ভালোভাবে বুঝিয়ে একটা লেখা লিখব। নতুন এবং আমার সেই বন্ধুদের জন্য আজকে এই লেখা লিখতে বসলাম।

ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং জিনিষটা আসলে কি?

ফ্রিল্যান্সিং শব্দের বাংলা অর্থ মুক্তজীবি। সকল ধরনের পেশাজীবিদের একটা আলাদা আলাদা নাম আছে, যেমন যারা সরকারী চাকুরী করে তারা সরকারী চাকুরীজিবী, যারা ব্যবসা করেন তারা ব্যবসায়ী, মাছ ধরে যারা জীবিকা নির্বাহ করেন তারা মৎস্যজীবি। সবধরনের পেশায় নির্দিষ্ট বিষয়ের উপরে জানতে হয় এবং সেই ধরনের কাজে কর্মক্ষম হতে হয়। মুক্তজীবি হচ্ছে এই সকল ধরনের পেশার মানুষগুলো যারা নির্দিষ্ট কোন কাজের বা কোম্পানীর মধ্যে আবদ্ধ নেই অর্থাৎ কোন কাজ শেষ হলেও তাদের বাধ্যতামুলক সেই কাজ বা কোম্পানীতে সংযুক্ত থাকতে হয় না। তাদের শ্রম বা কাজের জন্য অফিসে যেতে হবে না,চাইলে ঘরে বসেই আরাম করে কাজ সম্পাদন করে দেয়া যাবে।

প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে কাজগুলো পাবো কোথায়?

মাছ কিনতে হলে যেমন মাছের বাজারে যেতে হয় তেমনি ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য আপনাকে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এ যেতে হবে। আপনারা অনেকেই হয়তো ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার, ইল্যান্স ইত্যাদির নাম শুনেছেন? এইগুলো হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং বাজার যেখানে আপনার জন্য ক্রেতারা বিভিন্ন কাজের বিজ্ঞাপন দিবে এবং নিজের দরকার-পছন্দ অনুযায়ী নিয়োগ দিবে কাজের জন্য। অনেকদিন কাজ করার কারণে একটা সময় হয়তো আপনাকে এমনভাবে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফরমে যেতে হবে না, ফিক্সড কোন ক্রেতার কাজ সবসময় করার কারণে। তবে নতুনদের জন্য কাজ খোঁজার উপযুক্ত জায়গা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটগুলো।

কিন্তু ওখানে গিয়ে একাউন্ট খুলে করবোটা কি?

আহ! এতক্ষন পর লাইনে আসছেন। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট এ আপনি শুধু একাউন্ট খুললেই কাজ হবে না। আপনাকে নির্দিষ্ট কোন একটি বিষয়ে অভিজ্ঞ হয়ে তারপর ঐ কাজে এপ্লাই করতে হবে।আপনি যদি কাজ নাই জানেন তবে ক্রেতা কেন আপনাকে নিয়োগ দিবে?

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট এ কি কি কাজ পাওয়া যায়?

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে অনেক ধরনের কাজ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ক্রিয়েটিভ কাজ এবং যেইসব কাজ দুনিয়ার একপ্রান্ত থেকে আরেকপ্রান্তে সহজেই জমা দেয়া যায় এইরকম কাজের সংখ্যাই বেশী।

ক্রিয়েটিভ কাজ বলতে কি কি বুঝাচ্ছেন?

ক্রিয়েটিভ কাজ বলতে ওয়েব ডিজাইন-ডেভেলপমেন্ট, মোবাইল এপ্লিকেশান ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশান, আর্টিকেল লেখা সহ কম্পিউটার রিলেটেড কাজসমূহের আধিক্য সবচেয়ে বেশী।

কিন্তু অনেক বিজ্ঞাপনে দেখি ডাটা-এন্ট্রি করে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়!!

আমার মতে ডাটা এন্ট্রি করাটা কোন যুতসই কিংবা ভবিষ্যতের জন্য কার্যকরী কোন স্কিল হিসেবে গন্য হয় না। ডাটা/ক্যাপচা এন্ট্রি করে যেই টাকা আয় করবেন, কোন জনবহুল রাস্তার মোড়ে থালা নিয়ে ভিক্ষে করলেও আরো ভাল টাকা আয় করতে পারবেন। কিছু প্রতারক প্রতিষ্ঠান নতুন সহজ-সরল মানুষকে ফ্রিল্যান্সিং কলা দেখিয়ে এইসব অকাজের ডাটা এন্ট্রি ধোয়া তুলে টাকা আত্মসাৎ করে।

তাইলে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আমার এখন করনীয় কি?

যদি সত্যিকারের ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে চান তবে আপনার উচিৎ ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, মোবাইল এপস ডেভেলপমেন্ট, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশান, আর্টিকেল লেখা, ব্লগিং, প্রোগ্রামিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সহ বিভিন্ন ক্রিয়েটিভ বিষয়গুলোর মধ্যে যেকোন একটি বেচে নিয়ে সেটির উপর স্কিল ডেভেলপ করা। শেখা শেষ হয়ে গেলে আস্তে আস্তে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটগুলোতে চেষ্টা করা।

এইসব ক্রিয়েটিভ কাজগুলো কোথায় শিখব?

ইন্টারনেট এ এই সংক্রান্ত বিষয়ে অনেক টিউটোরিয়াল , আর্টিকেল , বই আছে। সার্চ করে আস্তে আস্তে শিখতে পারেন নতুনা কোন দক্ষ কোন প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিতে পারেন সাহায্যের জন্য।

Sunday, December 1, 2013

টাকা আযের দারুন উপায় এ্যাড পোস্টিং, ধাপে ধাপে শিখিয়ে দিচ্ছি।

দিনে মাত্র দুই ঘন্টা সময় ব্যায় করুন আর আয় করুন এ্যাড পোস্টিংয়ের মাধ্যমে।
এটি একটি এ্যাড পোস্টিং সাইট , এখানে প্রিতিটি এ্যাড পোস্ট করলে আপনি পাবেন বাংলাদেশি 1.5 টাকা। আমি নিচে ধাপে ধাপে আপনাদের কাজের পদ্ধতি আলোচনা করেছি। টাকা উঠাতে পারবেন পায়জা থেকে যেখানে একাউন্ট খোলা খুবই সোজা।
প্রথমে এই “Payza লিংকটিতে যান । সেখানে sign up নামে অপশনে গিয়ে তৈরী করুন একটি কার্যকন পায়জা একাউন্ট। খুব সহজে একাউন্ট পাওয়ার পর আমরা যাবো নিচের সাইটিতে।
এই ব্যানারে ক্লিক করে সাইটিতে প্রবেশ করুন ।
banner 468x60 টাকা আযের দারুন উপায় এ্যাড পোস্টিং, ধাপে ধাপে শিখিয়ে দিচ্ছি।
নিচের ছবির মতো একটি পেজ আসবে।
picture+1 টাকা আযের দারুন উপায় এ্যাড পোস্টিং, ধাপে ধাপে শিখিয়ে দিচ্ছি।
এবার উপরে থাকা Register বাটনে ক্লিক করুন। রেজিস্টারে , আপনার দেয়া ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড কোথাও সংরক্ষন করে রাখুন । যাতে পরবর্তীতে আপনি ভূলে না যান।
রেজিস্টার হয়ে গেলে আপনা্র  Email-এ একটা ভেরিফিকেশন লিংক যাবে । সেখান থেকে ভেরিফাই করে একাউন্টে লগ ইন করুন ।
লগ ইন করার পর নিচের পেজটির মতো একটি পেজ দেখতে পাবেন।
1) নিজের ইউজার নামটি , যেটা রেজিস্টারে দিয়েছেন।
2)পাসওয়ার্ড যেটা রেস্টিারে দিয়েছিলেন।
3) লগ ইন করুন।

নিচের মত পেজ পাবেন ।
picture3 টাকা আযের দারুন উপায় এ্যাড পোস্টিং, ধাপে ধাপে শিখিয়ে দিচ্ছি।
উপরের চিত্রের 1,২,৩ নাম্বার চিন্হিত অংশ নিয়েই আমোদের মূল কাজ করতে হবে।
1) প্রথমেই আছে Dashboard  এখানে  আপনার একাউন্টের যাবতীয় তখ্য আছে। একটি এ্যাড পোস্ট করলে আপনি পাবেন ইন্ডিয়া টাকা (Rs) .50 যা বাংলাদেশী টাকায় 1.50 টাকা। প্রতিদিন আপনি 100 টি সব্বোর্চ এ্যাড পোস্ট করতে পারবেন।প্রতিটি এ্যডের জন্য টাকা জমা হবে। আপনি  চাইলে যখন ইচ্ছা তখন আপনার পায়জা একাউন্টে টাকা তুলতে পারবেন । তবে  একটু বেশি টাকা হলে তুলবেন,  তখন আপনার লাভ বেশি হবে। কারন পায়জা প্রতিবার নিদ্বিয়্ট এমাউন্টর টাকার লেনদেনের জন্য চার্জ কাটে।
2) এখানে এড দেওয়া থাকে । এখানে view add এ ক্লিক করে , আপনি যে এ্যাড পোস্ট করবেন তার সবকিছু দেখতে পাবেন । এই এ্র্যাড পোস্টিং কিছুটা বাংলাদেশের বিক্র্য় ডট কমের মত।
3) classified add     এই সাইট গুলোতে এ্যাড পোস্ট করতে হবে।

এবার কিভবে এ্যাডপোস্ট করে টাকা রোজগার করবেন।

তাহলে ‍যেকোন একটি classified add  থেকে লিংক ওপেন করুন । তারপর সেখানে প্রথম বারের মতো হলে রেজিস্টেশন করে নিন  । প্রথম লিংকটিতে যান । রেজিস্টেশন করার পর নিচের চিত্রের মতো একটি যায়গা দেখবেন ।
picture+5 টাকা আযের দারুন উপায় এ্যাড পোস্টিং, ধাপে ধাপে শিখিয়ে দিচ্ছি।
এবার চিন্হিত গোল দাগে কিল্ক করুন তারপর নিচের ছবির মতো একটি পেজ ওপেন হবে।
picture+6 টাকা আযের দারুন উপায় এ্যাড পোস্টিং, ধাপে ধাপে শিখিয়ে দিচ্ছি।
চিত্রে আপনি এই লিংকটিতে যে ইমেইল নাম্বারে একটু আগে রেজিস্টেষন করেছেন সেটি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করুন। নিচের চিত্রের মতো একটি পেজ আসবে।
picture7 টাকা আযের দারুন উপায় এ্যাড পোস্টিং, ধাপে ধাপে শিখিয়ে দিচ্ছি।
1)উপরের চিত্রে আপনি 1,2,3 এবং 4 নাম্বার যাযগা গুলো পূরন করুন । ক্যাটাগরি কিংবা টাইটেল কি হবে সেটা আপনার এ্যাড পোস্টিং সাইটের Dashboard নিচে ‍add campaing-> view add দেখলে পেয়ে যাবেন ।
picture+4 টাকা আযের দারুন উপায় এ্যাড পোস্টিং, ধাপে ধাপে শিখিয়ে দিচ্ছি।
view add থেকে ছবিটি আগেই কপি করে ডেস্কটপে রেখে দিন। এভাবে ফিল্ড গুলো পূরন হলে। আপনি এ্যাডটি পাবলিশ করতে পারবেন । এরপর যে লিংকটি পাবেন সেটি Dashboard এর নিচে থাকা Submit Url এ গিয়ে পেস্ট করুন । তবে লিংকের, http:// কেটে দিবেন।
picture8 টাকা আযের দারুন উপায় এ্যাড পোস্টিং, ধাপে ধাপে শিখিয়ে দিচ্ছি।




ওয়েব টেম্পলেট বিক্রি করে আয় করতে পারেন

আপনি যদি একজন ভালো ওয়েব টেম্পলেট ব্যাবহার কারি হয়ে থাকেন।আপনার জন্য রয়েছে ইন্টারনেট থেকে টাকা আয়ের সম্ভাবনা।ইন্টারনেট এ ওয়েব টেম্পলেট বিক্রয়ের অনেক মার্কেট প্লেস রয়েছে।সেগুলর মধ্যে আজ আমি আপনাদের কে একটির সাথে পরিচয় করে দিব। সেটি হল “Themeforest ” এখানে আপনি ওয়েব টেম্পলেট বিক্রি করে ও ইন্টারনেট থেকে আয় করতে পারেন।
এটিও এনভাটো নেটওয়ার্ক এর একটি সাইট।এনভাটোর কোন একটি সাইট আপনি সাইন আপ করে থাকলে সেই ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন করতে পারেন।শুধু কুইজে অংশ নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে।এবং কাজ জমা দেবার নির্দেশিকা ভালো করে বুঝে নিতে হবে।
Themeforest এ আপনি ওয়েব ডিজাইন হিসেবে কাজ করতে পারেন।আপনি যদি ভালো ওয়েব ডিজাইন হন তাহলে দেড়ি না করে এখানে চেষ্টা করতে পারেন।এখানে HTML, wordpress, Joomla,PSD, টেম্পলেট ইত্যাদি ধরনের টেম্পলেট বেচাকেনা হয়।আরেকটি বিষয় এখানে লক্ষণীয় HTML,PSD, টেম্পলেট এর চেয়ে জুমলা দিয়ে বানানো টেম্পলেট গুলোর মূল্য একটু বেশি দেখা জায়।এই সাইটে একটু সময় দিলেয় বুঝে জাবেন কোন ধরনের টেম্পলেট গুলোর চাহিদা বেশি।এই সাইটে কোন কপি বা অন্য কোন ফ্রী টেম্পলেট আপনি একটু মডিফাই করে জমা দেবার সুযোগ নেই।আপনার নিজের তৈরি টেম্পলেট হতে হবে।আরও একটি জানার বিষয় হল এখানে দুই ভাবে টেম্পলেট সাবমিট করতে পারেন।একটি এক্সক্লুসিভ অন্যটি সাধারন।এক্সক্লুসিভ হিসেবে আপনি যদি সাবমিট করেন তবে টা আর অন্য মার্কেট প্লেসে সাবমিট করতে পারবেন না।সাধারন হিসেবে যদি জমা দেন সেটি আপনার পুণ্য অথারিটি থাকবে আপনি ইচ্ছে করলে একাধিক মার্কেট প্লেসে জমা দিতে পারবেন।তবে এক্সক্লুসিভ হিসেবে জমা দিলে সাধারন এর তলনায় কমিশন একটু বেশি পাবেন।আপনার সাবমিট করা টেম্পলেট যদি তাদের পছন্দ না হয়।আপনাকে পুন্রায় এরা একটি মেইল করবে,কছুটা পরিবর্তনের দিক নির্দেশনা দিয়ে।ফলে আপনার জন্য বোঝে উঠা সহজ হয়ে যাবে,ওদের পছন্দের ধারা।
কি বুঝলেন?তারা কিন্তু তাদের পকেট থেকে আপনাকে টাকা দিবে না।তারা আপনার প্রতিভাকে বিশ্বের বাজারে তুলে ধরবে।আপনার প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে তারা কছু আয় করবে,সেখান থেকে আপনাকে দিবে।যারা ওয়েব ডিজাইনের কাজ জানেন তারা এখান থেকে সাইন আপ করতে পারেন এবং কাজ শুরু করে দিতে পারেন।

Thursday, November 28, 2013

পোষ্ট তৈরি বা কমেন্টস পোষ্ট করে ইনকাম করুন খুব সহজেই…………।। (না দেখলে $ আপনাকে মিস করবে ! ! !)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভালোই আছেন। যাই হোক, কাজের কথায় আসা যাক।
আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে কমেন্ট করে ইনকাম করা যায়। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য। আমাকে বিশ্বাস করতে পারেন।
আগ্রহী যারা, প্রথমে এখানে ক্লিক করুন, এরপর “Register” এ ক্লিক করুন।
1 
এরপর আপনাকে একটি রেজিস্ট্রেশন ফর্ম দিবে, সেটি ঠিক মতো ফিল-আপ করতে হবে। অর্থাৎ ফর্ম টি ঠিক মতো ফিল-আপ করুন।
ফর্ম টি ফিল-আপ করতে গিয়ে প্রবলেম এ পরলে নিচের স্ক্রিনসট গুলো দেখুন।
(আমার Referral দের আমি কিছু এক্সট্রা ইনকাম করা শিখিয়ে দিবো। সুতরাং আমার Refer এ একাউন্ট খুলে আমাকে ফেসবুকে নক করে সিস্টেম গুলো শিখে নিবেন) (আমার ফেসবুক প্রোফাইলের লিংক, পোষ্টির একদম নিচে দেয়া আছে) (কিছু মনে করবেন না বড় ভাইয়েরা, অনেক কষ্ট করে পোস্ট টি তৈরি করেছি, তাই ছোট ভাই হিসেবে এতটুকু আপনাদের কাছ থেকে আসা করছি)
2 
2.5 
রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়ে গেলে যে ইমেইল টি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন, সে ইমেইল টিতে লগিন করে এই সাইট থেকে আসা ম্যাসেজটি ওপেন করে কনফার্মেশন লিঙ্কে ক্লিক করে একাউন্ট টি একটিভ করে নিন।
3 
কনফার্মেশন লিংকে ক্লিক করার পর আপনার একাউন্টে স্বয়ংক্রিয় ভাবে লগিন হয়ে যাবে।
যেভাবে ইনকাম করতে হবেঃ
একাউন্টে লগিন হওয়ার পর আপনি “Forum” এ ক্লিক করুন।
3.5 
এরপর আপনি যে বিষয়টির সম্পরকে কিছু টা হলেও জানেন বা যে বিষয়টির উপর আপনার জ্ঞান আছে, সে বিষয় টি তে ক্লিক করুন। (উদাহরন হিসেবে আমি-  payment processor & E-currencies বিষয় টি বেছে নিয়েছি)
4 
এরপর “sub-forum” থেকে আপনি যে টপিক টি নিয়ে পোষ্ট তৈরি করতে চান, সে টপিক টি তে ক্লিক করুন। (উদাহরন হিসেবে আমি- paypal কে বেছে নিয়েছি)
71-899x671  
এখন “Create New Thread” এ ক্লিক করুন।
6  
এরপর আপনাকে পোষ্ট তৈরি করার একটি ফর্ম দিবে (নিচের চিত্র দেখুন)। 1 নং এ- “sub forum” এর যে টপিক বেছে নিয়েছেন সে টপিক এর উপর এক sentence এর একটি শিরোনাম লিখুন। 2 নং এ- শিরোনামটির সাথে মিল রেখে আপনার বিস্তারিত বর্ণনা লিখুন। এরপর 3 এ ক্লিক করুন। ব্যাস, আপনার কাজ শেষ। সামান্য এইটুকু কাজ করার জন্য আপনি পাবেন ৩ সেন্ট।
7  
(আমি উপরের পিকচারে উদাহরন হিসেবে যা যা লিখেছি, সে লেখা গুলো দিয়ে আপনারা কেউ  ভুলেও পোস্ট তৈরি করবেন না…।। লিখলে, আপনাদের একাউন্ট ব্লক করে দিবে। কারণ যেহেতু উপরের লেখা গুলো দিয়ে আমি নিজেই একটা পোষ্ট তৈরি করেছি। অর্থাৎ এক জনের লেখা আরেক জনের কপি করা চলবে না।) (Title টি লিখার পর here are the similar threads we found এ কিছু Title দেখতে পাবেন, যে Title গুলো দেখতে পাচ্ছেন সে Title গুলো দিয়ে আপনার আগে কয়েকজন পোষ্ট তৈরি করেছে, খেয়াল রাখবেন যেন কারো Title এর সাথে আপনার Title টি না মিলে। কারো Title এর সাথে যদি আপনার Title মিলে যায়, তাহলে আপনার Title টি চেঞ্জ করে অন্য টপিক এর উপর নতুন Title লিখুন) এইভাবে আপনি বিভিন্ন টপিক এর উপর এক দিনে মোট ৫ টা পোষ্ট তৈরি করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি দিনে ৫ টা পোষ্ট তৈরির পাশাপাশি ২৫ টি কমেন্ট করে ৫০ সেন্ট ইনকাম করতে পারেন।
কমেন্টস পোষ্ট করবেন যেভাবেঃ
মনে করুন, আপনি paypal টপিক এর উপর কমেন্ট করবেন, তাহলে প্রথমে আপনাকে “sub-forum” থেকে paypal এ ক্লিক করতে হবে।
71-899x671 
এরপর Title / Thread Starter থেকে যে বিষয়টির উপর কমেন্ট করতে চান সে বিষয়টিতে ক্লিক করতে হবে। (উদাহরন হিসেবে আমি paypal vs payza বেছে নিয়েছি)
8 
ক্লিক করার পর যে পেইজটি আসবে সে পেইজের একদম নিচে মাউস এর সাহায্যে যেতে হবে। একদম নিচে যাওয়ার পর দেখবেন কমেন্ট করার বক্স আছে। সেখানে আপনার কমেন্ট টি করে Post Quick Reply তে ক্লিক করলেই আপনার কাজ শেষ। {অবশ্যই ২ লাইন ( প্রায় ২০০ ওয়ার্ড) এর নিচে কমেন্ট করবেন না। কমেন্ট যত বড় লিখবেন ততই ভালো। ছোট কমেন্ট করলে আপনার সব point কেটে 0 করে দিবে} (কমেন্ট অবশ্যই টপিক রিলেটেড হতে হবে, অযথা টপিক এর বাইরের বিষয় নিয়ে কমেন্ট করবেন না। কমেন্ট বক্সে কোন ক্রমেই প্রচারণা চালানো যাবে না, আই মিন- আপনার যেকোনো সাইট এর রেফারেল লিংক শেয়ার করা যাবে না (কিন্তু থ্রেড তৈরির ক্ষেত্রে রেফারেল লিংক শেয়ার করতে পারবেন)। কাউকে গায়ে লাগিয়ে কিছু বলা যাবে না। অর্থাৎ কমেন্ট টি একদম ফ্রেশ হতে হবে।)
9  
 কাজটি সঠিক ভাবে সম্পন্ন হয়ে গেলে নিচের চিত্রের মতো দেখতে পাবেন।
10 
এই ভাবে আপনি প্রতি দিন ২৫ টি কমেন্ট করে ৫০ সেন্ট ইনকাম করতে পারবেন।
টোটাল- ৬৫ সেন্ট……।।  অর্থাৎ প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট সময় দিয়ে বাংলাদেশি টাকায় ৫০ টাকা কামাতে পারেন…।।
বিঃ দ্রঃ ১. ১০০ points = ১$
২. প্রতি দিন ৫ টি পোষ্ট তৈরি এবং ২৫ টি কমেন্ট করতে পারবেন। (যখন দেখবেন পোস্ট এড হচ্ছে না, তখন বুঝতে পারবেন আপনি ৫ টি পোষ্ট এবং ২৫ টি কমেন্ট করে ফেলেছেন, সুতরাং সে দিন আর কাজ করবেন না। এর পরের দিন আবার কাজ করবেন)
৩. কারো পোষ্ট বা কমেন্টস হুবুহু কপি পেস্ট করা যাবে না, করলে একাউন্ট ব্লক করে দিবে
৪. এই সাইট এর পোষ্ট বা কমেন্ট অথবা অন্য কোন সাইট এর পোষ্ট বা কমেন্ট, এই সাইটে কপি পেস্ট করা যাবে না (যাই লিখবেন না কেনো, কীবোর্ডে টাইপ করে লিখতে হবে, কপি পেস্ট করা যাবে না)
একি বিষয় বা টপিক এর উপর একি দিনে একাধিক পোষ্ট বা কমেন্ট করা যাবে না। অর্থাৎ পোষ্ট বা কমেন্ট রিপিট করা যাবে না। ভিন্ন ভিন্ন টপিক বা ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের উপর পোষ্ট বা কমেন্ট করতে হবে। ( কোন দিন ই যেকোনো টপিক বা বিষয়ের উপর আপনার বা অন্য কারোর পোষ্ট বা কমেন্ট হুবুহু কপি করা যাবে না)
(কমেন্ট যত বড় করা যায় ততই ভালো। সুতরাং ছোট কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন)
৫. গ্রামার এবং স্পেলিং সঠিক হতে হবে। ভুল করা চলবে না।
৬. সংক্ষেপে লিখা চলবে না। যেমন “U” লিখা যাবে না, লিখতে হবে “You”
৭. পোষ্ট বা কমেন্টি অবশ্যই টপিক রিলেটেড হতে হবে।
৮. একাধিক একাউন্ট খোলা যাবে না বা আপনার একাউন্টিতে অন্য কারো পিসি দিয়ে লগিন করা যাবে না। যে পিসি দিয়ে একাউন্ট খুলেছেন সে পিসি দিয়েই লগিন করতে হবে।
৯. প্রক্সি সার্ভার বা হাইড আইপির ধারের কাছেও যাওয়া চলবে না
১০. মিনিমাম ক্যাশআউট ২.৫$
১১. Perfect Money বা Paypal এর মাধ্যমে $ খুব সহজেই তুলতে পারবেন।

 

কোথায় গ্রাফিক্স ডিজাইন বিক্রি করে আয় করতে পারবেন চলুন দেখে আসি

বর্তমানে যারা গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখছেন অথবা শিখেন তাদের জন্য নিয়ে এলাম গ্রাফিক্স ডিজাইন মার্কেট প্লেস।গ্রাফিক্স ডিজাইন বিক্রয়ের অনেক মার্কেট প্লেস রয়েছে।এগুলোতে গ্রাফিক্স ডিজাইন কেনা বেচা হয়ে থাকে।শত বাস্ততার মাজেও দেখা জায় অনেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন বিক্রি করে অ আয় করে থাকেন।
এগুলোর মধ্যেঃ
১) www.graphicriver.net
২)       www.cafepress.com
৩)       www.zazzle.com
এই সাইট গুলো বেশ ভালো,বিশেষ করে www.graphicriver.net      কারন এটি এনভাটর একটি অংশ বিশেষ।এনভাটর এর বেশ কিছু সাইট রয়েছে।যাই হোক graphicriver.net এই সাইট কাজ করে বড় শপিং মলের মত,বিভিন্ন ডিজাইন ক্যাটাগরি অনুযায়ী সাজিয়ে রাখে পাশে মূল্য লেখা থাকে এবং কোন ডিজাইন কত বার সেল হয়েছে তাও দেখা জায়। এখানে কাজ করতে হলে এদের নিয়ম অনুজায় আপনাকে ডিজাইন সাবমিট করতে হবে।ওদের পছন্দ হলে একটি মূল্য নির্ধারণ করে সাজিয়ে রাখবে।আপনার ডিজাইন যতবার বিক্রি হবে ততবার আপনার অ্যাকাউন্ট এ টাকা জমতে থাকবে।এখানে জমা দেবার প্রজেক্ট ডিজাইন তৈরির সময় আলাদা আলাদা লেয়ার করতে হবে।কারন যিনি কিনবেন তিনি এডিট করতে পারেন।ওদের নির্দেশিকা পড়ে নিলে সব কিছু বুজতে পারবেন।

Wednesday, November 27, 2013

এবার দেশি সাইট থেকে আয় করুন প্রতিদিন ৫$ পৈমেন্ট আপনার বিকাশে

আইছালামু অলাইকুম আমি আজকে আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব যেখান  ধেকে আপনি প্রতিদিন ৫$ ডলার যা বাংলাদেশ টাকা ৪০০ টাকা জা আপনি ইচেছ করলে একদিনেই আয় করতে পারবেন তো কথা বাড়িয়ে লাভ নেই চলুন এখনি আয় করা শুরু করে  দিই    EARN ৫$ডলার

Tuesday, November 26, 2013

অনলাইনে টাকা আয়ের সেরা সাইট (নতুনদের জন্য)

অনলাইনে টাকা আয়ের সেরা  সাইট
সাইটটিতে রেজিস্ট্রেশন করতে হলে ক্লিক করুন

হ্রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ ফ্রি । কোন ইনভেস্ট লাগবেনা । কাজ ঠিক dolancer, skylancers এর মত/তারা এটিকে আক্ষায়িত করেছে বেস্ট ডিল হিসেবে।তাদের দাবি এটি আপনার পিটিসি সম্পরকে সব ধারনা পুরা পালটে দিবে। তবে অনান্য পিটিসি সাইট থেকে এটি ভিন্ন। কারন   real পিটিসি সাইট।আপনি খুব সহজেই ২0 টি add click কোরে প্রতিদিন মাত্র 15 মিনিট সময় ব্যয় করে
ডলার কামাতে পারবেন প্রতিটি ADD এ সময় লাগে 5 সেকেন্ড । আপনার রেফেররেল প্রতি ক্লিক এর ১০% আপনি পাবেন
।এর ব্যবহার বিধি খুব সহজ হওয়ায় যেকেউ এর মাধ্যমে অনলাইনে টাকা কামাতে পারবেন।এর জন্য বাড়তি নলেজের প্রয়োজন নেই।যারা ফ্রীলান্সিং এ বিড করে করে ক্লান্ত তারা এখানে বলতে গেলে বিনা পরিশ্রমেই টাকা কামাতে পারবেন।পড়াশোনা বা চাকরির পাশাপাশিও করতে পারবেন।…এর জন্য তেমন বাড়তি সময় বা শ্রম দিতে হবে না। আপনি AlertPay ,paypal মাধ্যমে সহজেই টাকা তুলতে পারবেন যখন তখন। 5$ হোলেই টাকা তুলতে পারবেন।
অনেকেই অভিযোগ করেন তারা পে আঊট করেছেন…… অথচ টাকা হাতে পান না। ফলে তাদের পুরো পরিশ্রমই বিফলে যায়।এই সাইটে এ রকম হওয়ার আশংকা নেই, কারন এই ব্যাপারে সাইট করতিপক্ষ আশস্থ করেছে।তাছাড়া এটি যেহেতু 5$ হোলেই পে করবে, তাই প্রথম 30দিনেই পে আঊট করলেই বুঝতে পারবেন সত্যিই টাকা পাওয়া যায় কি না। কাজেই অনান্য সাইটের মত টাকা না পাওয়ার কারনে আফসোস করতেও হবে না।সাইটটি চাইলে এখনি রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, আপনার জন্য রেফারেল কালেক্ট করতে পারবেন এখন থেকেই, সেই সুযোগ দিয়েছে সাইটটি।
নিচে আমার পেমেন্ট প্রুফ
payment

Monday, November 25, 2013

নতুন ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য কিছু দরকারী টিপস

নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে সাফল্য পাওয়া অনেক কষ্টকর। আমি যখন এই গ্রাফিক্স ডিজাইন শুরু করেছিলাম তখন সম্পুর্ন এলোমেলো ভাবে কাজ করতাম। তখন আমাকে পরিপূর্ন দিকনির্দেশনা দেওয়ার মতো তেমন কেউ ছিল না। এ কারনেই আমি অনেক কাজ একসাথে নিতাম যার ফলে আমাকে অনেক সমস্যার সম্মুখিন হতে হতো। কিন্তু পরবর্তিতে আমি অন্যান্য ফ্রিল্যান্সারদের কাছ থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয় শিখে সেই অনুযায়ী কাজ করা শুরু করি। এতে করে অনেক তারাতারিই আমি সাফল্যের মুখ দেখতে পেয়েছিলাম। এ কারনে নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং করতে আগ্রহী বা গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চান তাদের জন্য এমন কিছু টিপস দিলাম তা যদি আমি আমার ক্যারিয়ারের শুরুতে পেতাম তাহলে হয়তো আরও দ্রুত সফলতার মুখ দেখতে পেতাম। চলুন টিপসগুলো দেখে নেওয়া যাক:

ক্লায়েন্টের সাথে সম্পর্ক:

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন অংশই হচ্ছে ক্লায়েন্ট বা বায়ার। এ কারনেই ক্লায়েন্টদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

  • আপনার কাজের মানের তুলনায় কখনই ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে কম মূল্য চাইবেন না।
  • যদি ক্লায়েন্ট কোনো কারনে আপনার ওপর রেগে যায় তাহরে সাথে সাথে রিপ্লাই না দিয়ে সময় নিন। ক্লায়েন্টকে ঠান্ডা হওয়ার সময় দিন।
  • ক্লায়েন্ট সবসময় সঠিক কথা না-ও বলতে পারে। সেক্ষত্রে ভদ্রভাবে না বলুন।
  • কাজ শুরু করার আগে ক্লায়েন্টের কাছ থেকে কিছু টাকা আপফ্রন্ট রাখুন।
  • সবসময় প্রফেশনাল থাকুন।

    ডিজাইনিং এর সময়:

    বিভিন্ন ডিজাইনারদের কাজ করার পদ্ধতি বিভিন্ন। কেউ সরাসরি কম্পিউটারে বসেই ডিজাইনিং শুরু করেন, কেউ আবার প্রথমে কাগজে পেন্সিল দিয়ে ডিজাইন করে নেন। আপনি যেভাবেই ডিজাইন করতে চান সেই পদ্ধতিতেই চলতে পারেন। এখানে আমার কিছু টিপস হলো:

    • কম্পিউটারে ডিজাইন করার আগে কাগজে স্কেচিং করে আপনার আইডিয়া ফুটিয়ে তুলুন।
    • ক্লায়েন্টের টার্গেট অডিয়েন্স সম্পর্কে রিসার্চ করে তারপর ডিজাইনিং শুরু করুন।
    • ডিজাইন করার সময় আপনি হিসেবে নয় ব্যাবহারকারী হিসেবে ডিজাইনটিকে পর্যবেক্ষন করুন।
    • বিভিন্ন সোর্সের ডিজাইন দেখে নিজেকে অনুপ্রানিত করুন।

      সময় ও কাজ ব্যাবস্থাপনা:

      সময় ও কাজ ব্যাবস্থাপনা ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বূর্ন বিষয়। মনে রাখবেন এক সময় আসবে যখন আপনি অনেক জায়গা থেকেই কাজের অফার পাবেন। সেই মুহুর্তে আপনার সময় ও কাজের মধ্যে সমন্ময় সাধন করা অনেক জরুরী অন্যথায় আপনার কাজ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এক্ষত্রে কিছু টিপস হলো:

      • আপনার কাজের জন্য একটি লিস্ট তৈরি করুন ও সেই অনুযায়ী কাজ করুন।
      • গুরুত্বপূর্ন কাজগুলো আগে করার চেষ্টা করুন।
      • কাজের সুবিধার জন্য কোনো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট এপ্লিকেশন ব্যাবহার করতে পারেন।
      • যখন অনেক ব্যাস্ত থাকবেন তখন আপনার কাজগুলো অন্য ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে করিয়ে নিতে পারেন

        মার্কেটিং:

        অনেক ফ্রিল্যান্স ডিজাইনারই মনে করেন যে তাদের মার্কেটিং এর কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু ভালো ক্লায়েন্ট পেতে হলে মার্কেটিং এর বিকল্প নেই। নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য নিচে কিছু মার্কেটিং টিপস্ দেওয়া হলো:

        • সোসাল মিডিয়াকে আপনার মার্কেটিং এর বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করতে পারেন।
        • আপনার কভার লেটার আরও আকর্ষনীয় করার চেষ্টা করুন।
        • লোকাল মার্কেটে ও সারা বিশ্বে আপনার মার্কেটিং করুন।
        • নিজের বিজনেস কার্ড তৈরি করুন এবং যখনই পারেন তা অন্যকে দেওয়ার চেষ্টা করুন।
        • কোনো ইন্টারনেট ফোরামে আপনার কাজের এডভার্টাইজ করবেন না।

          আরও কিছু টিপস:

          আরও কিছু টিপস রয়েছে যা আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ন। এই সকল টিপস যদি আমি না জানতাম তাহলে হয়তো আজ আমার এই পর‌্যন্ত আসা সম্ভব হতো না। টিপসগুলো হলো:
        • একটি আকর্ষনিয় পোর্টফোলিও তৈরি করুন।
        • একটি ই-মেইল সফ্টওয়্যার ব্যাবহার করুন।
        • আপনার ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিন ও সামনে এগিয়ে যান।
        • যত কাজের অফার পাবেন সবগুলোই একসেপ্ট করবেন না। যাচাই বাছাই করে কাজ নিন।
        • কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিরতিরও প্রয়োজন রয়েছে তাই মাঝে মাঝে নিজেকে বিশ্রাম দিন। কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন।
        • নিয়মিত শারিরিক ব্যায়াম করুন।
        আগেও বলেছি আমি আমার ক্যারিয়ারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন নির্দেশনা পেয়েছিলাম অন্যান্য সফল ফ্রিল্যান্সারদের কাছ থেকে এবং কিছু কিছু পেয়েছিলাম নিজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে। নতুনদের যেহেতু কোনো অভিজ্ঞতা থাকে না তাই আমার মতে সফলতার জন্য তাদের উচিৎ প্রফেশনাল ডিজাইনারদের থেকে প্রশিক্ষন গ্রহন করা। নতুন ফ্রিল্যান্স ডিজাইনারদের জন্য  এসআইআইটিতে শুরু হয়েছে প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনিং কোর্স। তাই দেরি না করে চলে আসতে পারেন আমাদের অফিসে।
        •  

         

       

     

 

ওডেস্ক এর বিভিন্ন স্কিল টেস্ট পাস করে আজই কাজ পেতে চেষ্টা করুন

ফ্রিল্যাঞ্চারদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরণের স্কিল টেষ্ট আছে। অনেক ক্ষেত্রে একজন ফ্রিল্যাঞ্চারের দক্ষতা স্কিল টেষ্ট এর ফলাফলের উপর নির্ণয় করা হয়। যেমন ধরুন আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন অথবা ডাটা এন্ট্রি জবে বিড করেছেন কিন্তু আপনি ওডেস্ক স্কিল টেষ্ট গুলোর মধ্যে গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য Photoshop, Illustrator ইত্যাদি অথবা ডাটা এন্ট্রির জন্য Windows XP, MS Office ইত্যাদি টেষ্ট না দিয়ে থাকেন তাহলে যিনি Hire করবেন তিনি কিভাবে বুঝবেন আপনি জবটি করার উপযুক্ত। নিজের প্রয়োজনে অনেক কাজ করতে হয়। ইতিমধ্যে আপনারা অনেকেই জেনেছেন যে ওডেস্ক এর জব অ্যাপলিকেশন Quota হচ্ছে সর্বোচ্চ ২০ টি। আপনি যদি oDesk Readiness Test সহ অন্যান্য টেষ্ট না দিয়ে থাকেন তাহলে আপনার Quota হবে ২ টি। oDesk Readiness Test এ পাশ করলে আপনার অ্যাপলিকেশন কোটা হবে ১০ টি। এর অর্থ হলো আপনি প্রতি সপ্তাহে ১০ টি প্রজেক্ট বা জবে অ্যাপ্লাই করতে পারবেন। আর আপনি যদি কমপক্ষে ৫ টি টেষ্ট দেন তাহলে আপনার জব Quota পূর্ণ হবে।

এখন কি মনে হচ্ছে যে টেষ্ট গুলো দেওয়া প্রয়োজন ?

oDesk এ প্রায় ৩০ টি ক্যাটাগরির ৩৪২ টি টেষ্ট Available আছে। oDesk এ সবগুলো টেষ্ট বিনামূল্যে দেওয়া যায়। এর মধ্যে oDesk এর নিজস্ব দুইটি টেষ্ট আছে। এই দুইটি টেষ্ট যেকোন সময় যতবার খুশি দিতে পারবেন। আর বাকী টেষ্ট গুলো একবার দেবার পর ৩০ দিনের মধ্যে আর দেওয়া যায় না। oDesk এর টেষ্ট ছাড়া বাকী টেষ্ট গুলোর সময় ৪০ মিনিট আর oDesk এর টেষ্ট এর জন্য সময় পাবেন ৬০ মিনিট। প্রশ্ন গুলো এম সি কিউ (MCQ) আকারে থাকে। একটি প্রশ্নের একাধিক অপশন থাকতে পারে। এগুলোতে চেকমার্ক বক্স থাকে। আর যে প্রশ্নে একটি অপশন বা উত্তর হবে সেটাতে রেডিও বাটন থাকে।

এবার কি মনে এই প্রশ্নটা তোলপার করছে। এতগুলো টেষ্টের মধ্যে আমি কোন টেষ্টটি দেব ? আপনি যদি ডাটা এন্ট্রি কাজ করতে চান তাহলে আপনি MS Office, Windows XP, Google Docs ইত্যাদি টেষ্ট দিবেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য Photoshop, Illustrator, Corel Draw, Flash, Max, Maya ইত্যাদি টেষ্ট দিবেন। আর যদি ওয়েব ডেভলপমেন্ট বা সফটওয়্যার এ কাজ হরতে চান তাহলে C, C++, Visual Basic, Dream weaver, PHP, HTML, ইত্যাদি টেষ্ট। মোট কথা হলো আপনি যে বিষয়ে কাজ করতে ইচ্ছুক আপনাকে উক্ত বিষয় সম্পর্কিত টেষ্ট দিতে হবে।
কিভাবে টেষ্ট দিবেন?

টেষ্ট দেবার জন্য ওডেস্ক এ লগইন করুন এবং মেন্যু বার থেকে Find Contractors & Job এই লিংকের উপর কার্সর নিয়ে যান। এবার যে ড্রপডাউন মেন্যু আসবে সেখান থেকে Test লিংকে ক্লিক করুন।
Odesk Menu

তাহলে নিচের ছবির মতো একটি পেজ আসবে।
Odesk TEST

উপরের ছবিতে লক্ষ্য করুন অনেকগুলো টেষ্টের লিষ্ট আছে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় টেষ্টের উপর ক্লিক করুন। তাহলে একটি পেজ আসবে এই পেজে আপনি যে টেষ্ট দিচ্ছেন তার সিলেবাস দেখানো হবে। এবার Start Test বাটনে ক্লিক করুন। পরের পেজে টেষ্টের Policy এবং Rules অন্যান্য বিষয় গুলো এখানে জানানো হবে। পেজের নিচের দিকে Continue বাটন আছে এটিতে ক্লিক করুন।

এবার নিচের ছবির মতো একটি একটি পেজ আসবে।
Readyness Test

এবার Click Here to start your test বাটনটিতে ক্লিক করুন। পরের পেজে উক্ত টেষ্টের প্রশ্ন গুলো আপনার সামনে চলে আসবে। এবার প্রশ্নের উত্তর গুলো দিয়ে দিন।
oDesk Readiness Test

ওডেস্ক এ দুইটি Readiness Test আছে। একটি Independent Contractor এর জন্য আর অন্যটি Agency Contractor এর জন্য। এই টেষ্ট না দিলে কোন জব পাওয়া সম্ভব নয়। জবে বিড করা আগে আপনাকে রেডিনেস টেষ্টে পাশ করতে হবে। এখানে এম সি কিউ আকারে মোট ১১ টি প্রশ্ন থাকে । সময় ৬০ মিনিট।
oDesk Readiness Test এর প্রশ্ন এবং উত্তর

Q: Can I start my own company on oDesk?
A: Yes! oDesk allows you to build and manage a team of workers, colleagues and collaborators. You can even subcontract other workers on oDesk to other customers oDesk (and take a cut).

Q: Which of the following break the oDesk user agreement?
A: All of the above

Q: Which of the following statements about the oDesk Team application are true?
A: All of the above

Q: What do you need to do to ensure guaranteed payment on hourly jobs?
A: All of the above

Q: If you have not done so please download and install the oDesk Team application. With the client running right click on the oDesk Team icon in the system tray (or doc for Mac users). Which of the following options is listed first? Note that you do NOT have to log into any actual Team Room to answer this question.
A: Team Room.

Q: Which of the following statements are correct about oDesk fees?
A: All of the above

Q: Buyers set weekly limits on hourly assignments, how do these work?
A: All of the above

Q: How does oDesk’s dispute resolution policy for work?
A: All of the above

Q: Which of the following actions are NOT allowed when applying to job openings?
A: All of the above

Q: How does feedback work on oDesk?
A: All of the above

Q: Which of the following is true of your oDesk timelog?
A: All of the above

দ্রুত oDesk Readiness Test এ পাশ করার জন্য এই টেষ্টের প্রশ্ন এবং উত্তর গুলো এখানে দিয়ে দিলাম। কাজে লাগবে। সবাইকে ধন্যবাদ।