Showing posts with label কম্পিউটার টিপস. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটার টিপস. Show all posts

Thursday, December 12, 2013

ল্যাপটপ ভালো রাখার অন্যতম কিছু টিপস

ল্যাপটপ প্রেমিকরাই বেশি ল্যাপটপ ব্যবহার করেন। হতে পারে সেটা শখের কিংবা কাজের বা অন্য কোন প্রকারের। অনেকেই বলেন এমন যে, নতুন ল্যাপটপ কিনলাম কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই আমার শখের ল্যাপটপ বা কাজের জিনিসটা সার্ভিসিং ঘরে চলে গেল। আসলে এটা আপনারই ভুল। ল্যাপটপ কখনোই রাফভাবে ব্যবহার করবেন না। কারন এটি কখনোই রাফ ইউজের জন্য নয়। আর আপনার কিছু ছোট খাট ভুলের জন্যই আপনার জিনিসটার অবস্থার অবনতি হয়। তাই কিছু টিপস দিলাম যা আপনি লক্ষ্য করে সেভাবে কাজ করলে আশা করি, আপনার ল্যাপটপকে দীর্ঘদিন যাবত অনায়াশে ভাল থাকতে সক্ষম।
অনেক সময় এমন ও হতে পারে যে উপরোক্ত কাজগুলো অনুসরন করেও আপনার কোন কাজে আসলো না। সে ক্ষেত্রে সেটা আপনার ল্যাপটপ এর যন্ত্রাংশ বড় কোন সমস্যা থাকতে পারে। আমি শুধু প্রাথমিক ধারনার টিপস্ গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম, যা আপনার প্রিয় জিনিসটার কিছু হলেও কাজে আসবে। তো আসুন দেখে নেওয়া যাক ট্রিক্সগুলি কি?
যতনে রাখি যন্ত্র:
ঝামেলা ছাড়াই দীর্ঘদিন একটি ল্যাপটপ ব্যবহার করার জন্য নিয়মিত যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ল্যাপটপে কোনো ত্রুটি ধরা পড়ার পর সেটি মেরামত করতে হবে।তবে আগে থেকে সতর্ক থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই এসব সমস্যা এড়িয়ে চলা সম্ভব।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা:
কম্পিউটারে অবশ্যই একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত। হয়তো কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় আপনার জানা আছে, আপনি কী ফাইল নামিয়েছেন, কোন ওয়েবসাইটে গেছেন বা পেনড্রাইভের মাধ্যমে কী ধরনের ফাইল স্থানান্তর করছেন। কিন্তু বর্তমান সময়ের ভাইরাসগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়, যেন সেগুলো ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে। এই ভাইরাসগুলো কম্পিউটারের সফটওয়্যারগুলো অকার্যকর করে দেওয়া, তথ্য মুছে ফেলাসহ ল্যাপটপটিই ব্যবহারের অনুপযোগী করে তুলতে পারে।
বাতাসের চলাচল:
ল্যাপটপ সব সময়ই এমন জায়গায় ব্যবহার করা উচিত, যেখানে বাতাস চলাচলের সুব্যবস্থা রয়েছে। এর ফলে ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। তবে এর মানে এই নয় যে, সব সময় শীতাতপনিয়ন্ত্রিত স্থান থেকে এটি ব্যবহার করতে হবে।
তরল পদার্থ থাক দূরে:
চা, কফি, পানিসহ সব ধরনের পানীয় ল্যাপটপ থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন। ল্যাপটপে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিকস যন্ত্রাংশ থাকে। তরল পদার্থের সংস্পর্শে এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আবার শর্টসার্কিটের ফলে পুরো ল্যাপটপটিই অচল হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সহজ সমাধান হলো, সব ধরনের তরল পদার্থই দূরে সরিয়ে রাখা।
খাওয়া নয়:
ল্যাপটপ সঙ্গে নিয়ে খাওয়া উচিত নয়। অসাবধানতাবশত খাবারের কোনো অংশ ল্যাপটপে পড়ে ময়লা হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া খাবারের ক্ষুদ্র কণা ল্যাপটপের কি-বোর্ডে আটকে থাকলে সেখান থেকে ব্যাকটেরিয়ার সৃষ্টি হতে পারে। এগুলো কোনোভাবে মূল সার্কিটের সংস্পর্শে এসে শর্টসার্কিট হলে ল্যাপটপের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
পরিষ্কার হাতে ল্যাপটপ:
tech tutorial 
ময়লা হাতে ল্যাপটপ ব্যবহার করলে অনেক সময় টাচপ্যাড ঠিকভাবে কাজ না-ও করতে পারে। পরিষ্কার হাতে ব্যবহার করলে ধুলো-ময়লা জমা হওয়ার আশংকা কম। দ্রুত ময়লা হয়ে গেলে কিছুদিন পর পরই রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেশ সময় ব্যয় করতে হবে।
শুধু ডিসপ্লে ধরে সরাবেন না:
স্থানান্তরের সময় ল্যাপটপের মূল অংশ ধরে সরানো উচিত, কখনোই শুধু ডিসপ্লে ধরে সরানো উচিত নয়। সাধারণত ডিসপ্লের ওজনের থেকে মূল অংশ বেশি ভারী হয়ে থাকে। তাই পর্দা ধরে সরানোর চেষ্টা করা হলে এই দুই অংশের সংযোগস্থানটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বা ভেঙে যেতে পারে।
বছরে একবার সার্ভিসিং:
নির্ভরযোগ্য কম্পিউটার সার্ভিসিং সেন্টার থেকে বছরে অন্তত একবার ল্যাপটপ সার্ভিসিং করানো উচিত। দীর্ঘ সময় ব্যবহারের ফলে জমে থাকা ধুলো-ময়লা পরিষ্কারের জন্যই প্রয়োজন এই সার্ভিসিংয়ের। তবে কখনোই নিজে নিজে এই কাজ করা উচিত হবে না।
সিডি-ডিভিডি:
সিডি বা ডিভিডি-রম ডিস্কগুলো ব্যবহারের পর নির্ধারিত স্থানে রেখে দিতে হবে। অসাবধানতাবশত কোথাও ঘষা লেগে বা পড়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
স্টিকারগুলো পরীক্ষা করা:
ল্যাপটপ ডিস্ক ড্রাইভার ব্যবহারের আগে ডিস্কে লাগানো স্টিকারগুলো পরীক্ষা করে নেওয়া প্রয়োজন।
ল্যাপটপের কভার:
ল্যাপটপ বহন করার জন্য সব সময় অতিরিক্ত একটি কভার ব্যবহার করা উচিত। এটি অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ স্ক্র্যাচ, ধুলো-ময়লা থেকে নিরাপদ রাখবে। আর এটির আকার অবশ্যই ল্যাপটপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার:
ল্যাপটপের পর্দা, কি-বোর্ড এবং এক্সজস্ট ফ্যানের জায়গাগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ধুলো-ময়লা পরিষ্কার করার জন্য ব্রাশ ব্যবহার করা যেতে পারে। এমনকি ব্যবহূত পুরোনো টুথব্রাশগুলো দিয়েও ল্যাপটপের বাইরের অংশগুলো পরিষ্কার করা যেতে পারে।
ল্যাপটপের ওপর ভারী কিছু না:
ভাঁজ করে রাখা ল্যাপটপের ওপর, কি-বোর্ডের ওপর ভারী কিছু রাখা উচিত নয়। ল্যাপটপ ভারী কিছু রাখার উপযোগী করে তৈরি করা হয় না। তাই ভারী বই বা অন্য কিছু রাখা হলে ডিসপ্লে, কি-বোর্ড বা অন্যান্য যন্ত্রাংশের ক্ষতি হতে পারে।
পর্দার প্রতি যত্নশীল:
কাজ শেষে ল্যাপটপ বন্ধ করার পর মনিটরটির বা ডিসপ্লে পর্দাটি ভাঁজ করে রাখা উচিত। আবার অনেক সময় সরাসরি পর্দা ভাঁজ করে স্ট্যান্ডবাই মোডে রাখা হয় ল্যাপটপ। এ সময় যেন কি-বোর্ডের ওপর কোনো পেন্সিল, হেডফোন বা অন্য কিছু না থাকে। এসব রেখে বন্ধ করে দেওয়া হলে ডিসপ্লের ক্ষতি হতে পারে।
দ্রুত তাপমাত্রা পরিবর্তন নয়:
হঠাৎ করে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘর থেকে বাইরের উষ্ণ তাপমাত্রায় স্থানান্তর বা উষ্ণ স্থান থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত তাপমাত্রার স্থানে স্থানান্তর করা উচিত নয়। দ্রুত তাপমাত্রা পরিবর্তনের সঙ্গে চলমান ল্যাপটপের হার্ডডিস্ক ও প্রসেসর মানিয়ে নিতে পারে না। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে ল্যাপটপ এবং এর অন্যান্য যন্ত্রাংশের।
বৈদ্যুতিক সংযোগ খুলে ফেলা:
ল্যাপটপ চালু রেখে বৈদ্যুতিক সংযোগ (পাওয়ার কানেকশন) খুলে ফেলা উচিত নয়। বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তারপর সংযোগ খোলা উচিত। আর বৈদ্যুতিক সংযোগটি যদি আপনার পায়ের কাছাকাছি কোথাও থাকে, তাহলে কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন।
ডিস্ক ড্রাইভার:
ডেস্কটপ ডিস্ক ড্রাইভারগুলো থেকে ল্যাপটপের ডিস্ক ড্রাইভারগুলো আলাদা ধরনের হয়ে থাকে। তাই সিডি/ডিভিডি ডিস্কগুলো ব্যবহার করার সময় বেশিসতর্ক থাকা প্রয়োজন। সঠিকভাবে ব্যবহার না করা বা উল্টোভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করলে ডিস্ক ড্রাইভারটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
তার যেন পেঁচিয়ে না যায়:
ল্যাপটপের বৈদ্যুতিক সংযোগ তারগুলো মেঝেতে ছড়িয়ে রাখা উচিত নয়। তারগুলো চেয়ারে চাপা লেগে ছিঁড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তো রয়েছেই, এর পাশাপাশি ছড়িয়ে থাকা তারগুলোতে আটকে ব্যবহারকারী নিজে অথবা অপর কেউ দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন।
গাড়িতে ফেলে আসবেন না:
বদ্ধ গাড়ি একটি উচ্চ তাপমাত্রার জায়গা। স্বাভাবিকভাবেই দীর্ঘ সময় ধরে ল্যাপটপটি সেখানে ফেলে রাখা উচিত নয়। এ ছাড়া ল্যাপটপ বা ল্যাপটপের ব্যাগ ছিনতাইকারীদের আকৃষ্ট করতে পারে।
উপরের টিপসগুলো অনুসরন করলে আমি মনে করি আপনার ল্যাপটপটি ভালো মতই চলবে কোন সমস্যা ছাড়া। আপনাদের কাজে আসলে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু। ভালো থাকবেন সবাই আর আপনাদের ল্যাপটপের বেশি বেশি যত্ন নিবেন!! নইলে ওটা নিয়ে অল টাইম দৌড়ের উপর থাকতে হবে।

ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে? সমাধান নিন।

নতুন ল্যাপটপ কেনার পর প্রায় বছর খানেক ভাল ভাবেই সার্ভিস দেয় । এর পর বেশি গরম হয়ে যায় নীল স্ক্রিন চলে আসে মাঝে মাঝে। স্লো হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে আপনার যা করনীয়। যেখান দিয়ে ল্যাপটপের গরম বাতাস বের হয় সেখানে যদি একটি ডিম রেখে দেন তা হলে আমার মনে হয় ডিমটি খাওয়ার উপযুক্ত হয়ে যাবে।
প্রথম ধাপ:---

আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারিরে আইকন টিতে Left বাটনে ক্লিক করে মোর পাওয়ার অপশনে যান। এরপর পরের চিত্র টি দেখুন।

এর পর    High performance    থেকে       Change plan setting --এ ক্লিক করুন। এরপর পরের চিত্র টি দেখুন।

Change advanced power setting ---এ ক্লিক করুন।

এর পর  Step-5,এ ক্লিক করুর  and  Step-6 -এর Plugged in: এখানে ক্লিক করুন। এরপর

Plugged in 85% করে Apply then ok ক্লিক করুন। এরপর রিস্টাট করে দিন ।
এরপর যদি কাজ না করে তবে আপনাকে আরেকটু কষ্ট করতে হবে যেমন:-----------

ল্যাপটপের পিছনের ব্যাক কাভার খুলুন এর পর এই কাজটি করুন যেমন:--------

বাতাস বের হবার রাস্তা এবং ফ্যান ক্লিন করে দিন। এর পর আরেকটি কাজ করবেন যেমন:-----  তার আগে একটি কথা বলে নেই ল্যাপটপ বালিসের উপর রেখে ব্যবহার করবেন না তা হলে আর বেসি গরম হবে। নিচের চিএটি দেখুন

এমন ভাবে ল্যাপটপ বসাবেন যাতে করে বাতাস যাওয়া আসা করতে পারে।  আরো ভালোহবে ল্যাপটপের নিচে পাখা ব্যবহার করুন।    আশারাখি সবার উপকারে আসবে।

Monday, November 18, 2013

পিসির ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ান সফটওয়্যার ছাড়া

আস্সালামুআলাইকুম । আমরা ইন্টারনেটের স্পিড বাড়ানোর জন্য অনেকেই অনেক সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি ।
আমি এখন আপনাদের যে টিপসটি দিব তা দিয়ে সফটওয়্যার ছাড়াই ইন্টারনেটের স্পিড বাড়াতে পারবেন ।
তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে কাজে চলে যায় ।
ছোট্ট একটা ট্রিক্স অ্যাপ্লাই করে আমরা ইন্টারনেটের স্পিড ৮০% কে বাড়িয়ে ১০০% করবো ।
> যেভাবে করবেনঃ . . .

Increase your PC speed from 80% to 100% . Follow process step by step:<br /> ==> স্টার্ট মেনু থেকে Run এ ক্লিক (click) করুন।
==> gpedit.msc টাইপ করে এন্টার দিন ।(type - gpedit.msc & Enter))
==> তারপর group policy editor ওপেন হবে ।
==> Local Computer Policy
==> Computer Configuration
==> Administrative Templates
==> Network
==> QOS Packet Scheduler
==> Limit Reservable Band width
Limit Reservable band width এ ডাবল ক্লিক করুন ।
এটা not configure করা থাকবে।
এটা ENABLE (it) করুন, এখন Band width limit % এ গিয়ে ০ লিখে দিন।
OK করে বের হয়ে আসুন।
এখন তাহলে আর আপনার কম্পিউটারে আর ২০% স্পিড রিসার্ভ করা থাকবে না ।
চেষ্টা করুন, ইনশাআল্লাহ হয়ে যাবে।
ইতিপূর্বে বিভিন্ন সফটওয়্যার দ্বারা অনেকে হয়তো ইন্টারনেট স্পিড বাড়িয়েছেন । কিন্তু ইন্টারনেট স্পিড বাড়লেও পিসি কিছুটা স্লো হয়ে যায় ।
>> মনে রাখবেন পিসিতে যত কম সফটওয়্যার ইন্সটল করবেন পিসির উইন্ডোজ তত ভাল Performance দিবে।

ছবির মধ্যে ফাইল লুকিয়ে রাখুন * জানতে হলে এদিকে আসুন

গোপনীয়তার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ফাইল লুকানোর প্রয়োজন হতে পারে। চাইলেই যেকোনো ছবির মধ্যে ফাইলটি লুকিয়ে রাখা যায়। এজন্য যে ফাইলটি লুকাবেন সেটি,যেকোনো ছবি এবং উইনরার সফটওয়্যার প্রয়োজন পড়বে। উইনরার সফটওয়্যারটি http://goo.gl/jDxqw ঠিকানা থেকে নামিয়ে ইনস্টল করে নিন। ভিডিও ফাইল হলে abc.mp4 এবং photo.jpg ফাইল দুটিকে কপি করে D: ড্রাইভে রেখে দিন। এবার যদি abc.mp4 ফাইলটি ছবির মধ্যে লুকিয়ে রাখতে মাউসে রাইট বাটনে ক্লিক করে add to archive নির্বাচন করুন।
নতুন উইন্ডোজ আসলে archive name এ abc.mp4.rar লিখে OK করুন। এবার Run এ যেয়ে cmd লিখে এন্টার করুন। কমান্ড প্রমট ওপেন হলে D: লিখে এন্টার দিন। এখন copy /b photo.jpg+abc.mp4.rar xyz.jpg লিখে এন্টার দিন। দেখবেন D: ড্রাইভে xyz.jpg নামে নতুন ফাইল আসবে। এই ফাইলটির মধ্যে abc.mp4 নামের ভিডিও ফাইলটি লুকানো আছে। মূল ফাইলটি দেখতে হলে রাইট বাটনে ক্লিক করে open with থেকে উইনরার সফটওয়্যার নির্বাচন করে খুলতে হবে। ভালো লাগলে লাইক-কমেন্ট করবেন।

Computer Refresh করুন হাতের ছোঁয়া ছাড়া

কম্পিউটারে কোন কাজ করার পর রিফ্রেস
দেওয়াটা অনেকের কাছে রীতিমত অভ্যাসে পরিনত
হয়ে গেছে। কারো কারো অভ্যাসটা এত
বেশী হয়ে গেছে যে কারণে-অকারণেই
অনেকে রিফ্রেস দেন icon smile Computer Refresh
করুন হাতের ছোঁয়া ছাড়া । যাই হোক, আমি আজকে আপনাদের একটা ছোট টিপস শেখাব।
টিপসটি হল কিভাবে সয়ংক্রিয়ভাবে রিফ্রেস
করা যায়। এই কাজটি করার ফলে কম্পিউটার
নিজে নিজেই রিফ্রেস করে নেবে। আপনাকে আর
কষ্ট করে মাউস দিয়ে রিফ্রেস করতে হবে না।
এজন্য আপনাকে যা করতে হবে: Start Menu -> Run এ গিয়ে regedit লিখে ok
করুন। Registry Editor চালু হবে।
HKEY_LOCAL_MACHINE -> SYSTEM ->
CurrentControlSet -> Control -> Update এ
গিয়ে ডান পাশে লেখা দেখবেন UpdateMode।
এটাতে ডাবল ক্লিক করে ডাটা 1 এর পরিবর্তে 0 করে দিন। কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। ব্যাস
হয়ে গেল। এখন থেকে আপনার কম্পিউটার
অটোমেটিক রিফ্রেস হবে।

Sunday, November 17, 2013

কিছু প্রয়োজনিয় কথা জেনে নিই.........




কম্পিউটার হ্যাং হবার ১২টি কারণ সমন্ধে জেনে নিন। সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন। কম্পিউটার হ্যাং হয় নাই এমন লোক আছে বলে আমার মনে হয় না। আর যদি কেউ দাবি করে তার কম্পিউটার হ্যাং হয় নাই তাহলে আমার মতে হ্যাং কি তাই সে জানে না। আজকে আপনাদের কম্পিউটার হ্যাং হবার সাধারণ কয়েকটা কারণ সম্পর্কে জানাব। আশা করি আপনারা উপকৃত হবেন। আর কথা বাড়াব না। এখন আসল কথায় আসি। হ্যাং বলতে কী বুঝায়? আমরা প্রয়ই বলে তাকি কম্পিউটার হ্যাং ধরেছে। কিন্তু আসলে হ্যাং বলতে কী বুঝায়? কম্পিউটার যখন তার কাজের ফলাফল ঠিকমত প্রকাশ করে না বা তার কাজের ফলাফল অনেক সময় নিয়ে ফলাফল প্রকাশ করে তখন কম্পিউটারের এই অবস্থা কে হ্যাং বলে। এটা আমার মতামত অনেকে ভিন্নতা পোষণ করতে পারেন। সকল কাজের পিছনেই একটা না একটা কারণ রয়েছে। ঠিক তেমনি কম্পিউটার হ্যাং হবার পিছনেও কারণ রয়েছে। আর সে কারণগুলোই এখন বলব। কম্পিউটার হ্যাং হবার কারণ কম্পিউটারের প্রসেসরের মান ভাল না হলেঃ- কম্পিউটারের কাজ করার পরিমাণ নির্ণয় করে কম্পিউটারের প্রসেসর। আর প্রসেসরের মান ভাল না হলে কম্পিউটার হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক। কম্পিউটার র‌্যামের পরিমাণ কম হলেঃ- আমরা যখন কোনো কাজ করি তখন সেই কাজটা সম্পন্ন হয় কম্পিউটার র‌্যাম অঞ্চলে। আর এই র‌্যামের পরিমাণ খম হলে কম্পিউটার ঠিকমত কাজ করতে পারে না। এবং কম্পিউটারে হ্যাং ধরে। কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ- কম্পিউটারের হার্ডডিক্স এর কানেকশন সঠিক না হলে হঠাৎ কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে। প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলেঃ- কম্পিউটারের প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে কম্পিউটার হঠাৎ করে হ্যাং হতে পারে এমনকি এর জন্য কম্পিউটার রিস্টার্ট দেওয়ার পরো ঠিক নাও হতে পারে। কেননা কম্পিউটারের সকল কাজ করে তাকে প্রসেসর। অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলেঃ- এছাড়া অন্য কোনো হার্ডওয়্যার কানেকশন অথবা হার্ডওয়্যারে সমস্যা তাকলে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে। অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি তাকলেঃ- অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি বলতে কোনো সিস্টেম ফাইল কেটে যাওয়াকে বুঝায়। যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে। কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলেঃ- সাধারণত এই কারণেই কম্পিউটারে বেশী হ্যাং হয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রয়ই হ্যাং হয়। অনেক প্রোগ্রাম একসাথে চালু করলেঃ- হ্যা এটার কারণে সবচেয়ে বেশী কম্পিউটার হ্যাং হয়। মনে করেন আপনার কম্পিউটার র‌্যাম এর পরিমাণ ১২৮ কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম চালু করলেন। তাহলে হ্যাং হওয়াটাই স্বাভাবিক। কেননা তখন কম্পিউটার র‌্যাম ফোল হয়ে যাবে। হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালেঃ- আপনার কম্পিউটার র‌্যাম যদি কম হয় কিন্তু আপনি যদি হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালান তাহলে কম্পিউটার হ্যাং হয়ে তাকে কেননা তখন র‌্যাম সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায়। হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন সফটওয়্যার ব্যাবহার করলেঃ- কম্পিউটার গেইম এর পাশাপাশি কিছু সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো খুব উচ্চ গ্রাফিক্স সম্পন্ন। যা সাধারণ কম র‌্যাম ও কম প্রসেসরের ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারে চালনা করলে কম্পিউটার হ্যাং হয়। কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলেঃ- এই বিষয়ে আমি এই টিউনে বলেছিলাম। কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে তাকলে ঐ সব ফাইল নিয়ে কাজ করতে কম্পিউটারের অনেক বেশী সময় লাগে। যার করণে কম্পিউটার হ্যাং হয়। কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করলেঃ- হ্যা আমরা ভাইরাস হতে মুক্তি লাভের আশায় এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি। কিন্তু অনেক সময় কম্পিউটারের মানের কথা না ভেবেই উচ্চ ক্ষমতা ও উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করে তাকি যার কারণে কম্পিউটার হ্যাং হয়।