Showing posts with label জীবনী. Show all posts
Showing posts with label জীবনী. Show all posts

Monday, December 2, 2013

হলিউড অভিনেতা পল ওয়াকার

হলিউড অভিনেতা পল ওয়াকার এর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কিছু কথা ! 

জন্মগ্রহণঃ সেপ্টেম্বর ১২,১৯৭৩ ,Glendale, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন।
মৃত্যু বরনঃ নভেম্বর ৩০,২০১৩ (৪০ বছর বয়সী)।
ভ্যালেন্সিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন।
মৃত্যুর কারণঃ ট্রাফিক সংঘর্ষ।
পেশাঃ অভিনেতা।
কার্যকালঃ ১৯৮৫-২০১৩
পরিচিতিঃ ‘ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস’।
সন্তানঃ ১(Meadow Walker)।
অফিসিয়াল ফেসবুক পেজঃ Paul Walker
ব্যক্তিগত জীবনঃ
পল ওয়াকার সান্তা বারবারা, ক্যালিফোর্নিয়া বাস করত এবং তার একটি পোষা কুকুর ছিল । তিনি এবং তার  বান্ধবী রেবেকা এবং মেয়ে Meadow থাকত । তার প্রথম আকর্ষণ ছিল সামুদ্রিক জীববিদ্যা ।
তিনি ২০০৬ সালে বিলফিশ ফাউন্ডেশনের পরিচালনা বোর্ডে যোগদান করেন। তিনি জীবনে একটি  স্বপ্ন পূরণ করেন ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেল এ ‘এক্সপিডিশন গ্রেট হোয়াইট’ সিরিজ একটি
চরিত্রে অভিনয় করে, যা জুন ২০১০ সালে প্রিমিয়ার হয়েছিল। ২০১০ সালে হাইতির ভূমিকম্প ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য তার সাহায্য হাত বাড়িয়ে দেন ।
মৃত্যু !!
হলিউডের বিখ্যাত অ্যাকশন ছবি ‘ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস’-এর নায়ক পল ওয়াকার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রাণ হারান এই হলিউড অভিনেতা। লস অ্যাঞ্জেলেসের উত্তরাঞ্চলে ভ্যালেন্সিয়া এলাকায় তার প্রতিষ্ঠান ‘রিচআউট ওয়ার্লওয়াইড’-এর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওয়াকারের ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপকের উদ্ধৃতি দিয়ে রোববার বিবিসি অনলাইন এ খবর জানিয়েছে।
এ সময় তার এক বন্ধুরও মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার জন্য বন্ধুর গাড়িতে করে তিনি যাচ্ছিলেন। এ সময় ভ্যালেন্সিয়া এলাকায় তাকে বহনকারী গাড়িটি সড়কের পাশের পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে লাল রংয়ের পোর্শে স্পোর্টস কারটি বিধ্বস্ত হয়ে দুমড়ে মুচড়ে যায়।
এ সময় গাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। ওয়াকারের বন্ধু গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। ৪০ বছর বয়সী এ অভিনেতা ‘ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস’ ছবিটি প্রথম শুরু করেন ২০০১ সালে। এরপর ছবিটির ৬টি সংস্করণে তিনি অভিনয় করেছেন। এর ষষ্ঠ সংস্করণটি গত মে মাসে মুক্তি পায়। সপ্তম সংস্করণের নির্মাণ কাজ চলছিল। তিনি ছবিটির ‘ব্রিয়ান ওকোনো’  নামে গুপ্তচর চরিত্রের জন্য বিখ্যাত। তিনি উত্তেজনাপূর্ণ ‘ড্রামা আওয়ারস’ নামে একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন, যা এ মাসেই মুক্তি পেয়েছে। দুর্ঘটনার পর ওয়াকারের ফেসবুক পেজে লেখা হয়েছে, ‘আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, পল ওয়াকার আর নেই। তার প্রতিষ্ঠান রিচআউট ওয়ার্ল্ডওয়াইডের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার সময় গাড়ি দুর্ঘটনায় তিনি মারা গেছেন।’ ইউনিভার্সাল পিকচার্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওয়াকারের মৃত্যুর ঘটনায় তাদের স্টুডিও স্টাফদের সবারই মন ব্যথিত। উল্লেখ্য, প্রায় ১৪ বছর ধরে চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সাল পিকচার্সের সাথে জড়িত ছিলেন ওয়াকার।
ভিডিও ফুটেজটি দেখতে পারেন!



চলচ্চিত্রের তালিকাঃ
Film
Year
Title
Role

1986 Monster in the Closet ‘Professor’ Bennett
1987 Programmed to Kill Jason
1994 Tammy and the T-Rex Michael
1998 Meet the Deedles Phil Deedle
1998 Pleasantville Skip Martin
1999 Varsity Blues Lance Harbor
1999 She’s All That Dean Sampson
1999 Brokedown Palace Jason
2000 The Skulls Caleb Mandrake
2001 The Fast and the Furious Brian O’Conner
2001 Joy Ride Lewis Thomas
2002 Life Makes Sense If You’re Famous Mikey
2003 Turbo-Charged Prelude Brian O’Conner
2003 2 Fast 2 Furious Brian O’Conner
2003 Timeline Chris Johnston
2004 Noel Mike Riley
2005 Into the Blue Jared Cole
2006 Eight Below Jerry Shepard
2006 Running Scared Joey Gazelle
2006 Flags of Our Fathers Hank Hansen
2007 Stories USA Mikey
2007 The Death and Life of Bobby Z Tim Kearney
2008 The Lazarus Project Ben Garvey
2009 Fast & Furious Brian O’Conner
2010 Takers John Rahway
2011 Fast Five Brian O’Conner
2013 Vehicle 19 Michael Woods
2013 Fast & Furious 6 Brian O’Conner
2013 Hours Nolan
2013 Pawn Shop Chronicles Raw Dog
2014 Brick Mansions Damien
2014 Fast & Furious 7 Brian O’Conner
Television
Year
Title
Role
Notes
1985 Highway to Heaven Eric Travers 1 episode
1986 Highway to Heaven Todd Bryant
1986–
1987
Throb Jeremy Beatty
1988 I’m Telling! Contestant
1990 Charles in Charge Russell Davis
1991 Who’s the Boss? Michael Haynes
1992–
1993
The Young and the Restless Brandon Collins
1994 CBS Schoolbreak Special Dill
1994 The Boys Are Back Jesse Hansen
1996 Touched by an Angel Jonathan
2013 Shark Week Himself
Music videos
Year
Artist
Song
1997 The Mighty Mighty Bosstones “Wrong Thing Right Then”
2003 Ludacris Act a Fool
Awards and nominations
Year
Award
Category
Film/TV Show
Result
2000 Young Hollywood Award Exciting New Face – Male
Won
2001 Hollywood Breakthrough Award Breakthrough Male Performance
Received at the Hollywood Film Festival

Won
Young Hollywood Award New Stylemaker – Male
Won
2002 MTV Movie Award Best On-Screen Team
Shared with Vin Diesel
The Fast and the Furious
Won
Breakthrough Male Performance
Nominated
2003 Teen Choice Award Choice Movie Chemistry
For Paul Walker and his car
2 Fast 2 Furious
Won
2009 Teen Choice Award Choice Movie Actor: Action Adventure Fast & Furious
Nominated
2011 Teen Choice Award Choice Movie Actor: Action Adventure Fast Five
Nominated

Saturday, November 30, 2013

নওয়াজেশ আহমদ

 
মৃত্যুদিন:
Tuesday, 24 November 2009

নওয়াজেশ আহমদ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বাংলাদেশী আলোকচিত্রী ও উদ্ভিদবিজ্ঞানী। তিনি বাংলাদেশে প্রথম আলোচিত্র অ্যালবাম প্রকাশ করেন।

নওয়াজেশ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) উপদেষ্টা হিসেবে লাওস, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার সহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে কাজ করেন। নওয়াজেশ ১৯৩৫ সালে মানিকগঞ্জ জেলার পারিল নওয়াদা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদ জিনতত্ত্ব নিয়ে পিএইচডি ডিগ্রি শেষে তিনি ১০ বছর চা গবেষণায় যুক্ত ছিলেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য আলোকচিত্র অ্যালবামের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ (১৯৭৫), পোর্ট্রেট অব বাংলাদেশ (১৯৮৩), বার্মা (১৯৮১), কোয়েস্ট অব রিয়েলিটি (১৯৮৬), ওয়াইল্ড ফ্লাওয়ার্স অব বাংলাদেশ (১৯৯৭) ও গৌতম (বৌদ্ধদের জীবণকাহিনীভিত্তিক)।

Sunday, November 24, 2013

এ. এম. হারুন অর রশীদ


 
জন্মদিন:
Monday, 1 May 1933

এ এম হারুন-অর-রশিদ বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে, পদার্থবিজ্ঞানে তাঁর অবদানের জন্য একুশে পদকে ভূষিত হোন।

জন্ম ও পরিবার
এ. এম. হারুন অর রশীদ (আবুল মকসুদ হারুন অর রশীদ) ১৯৩৩ সালের ১লা মে বরিশাল জেলার নলছিটি উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কৃষ্ণনগর কলেজে বাবার শিক্ষকতার সূত্র ধরে ড. রশীদের শৈশব কেটেছে পশ্চিম বাংলার কৃষ্ণনগরেই। গ্রীষ্মের ছুটিতে কলেজ যখন বন্ধ হতো তখন তাঁর বাবা পরিবারের সবাইকে নিয়ে কৃষ্ণনগর থেকে বরিশালে গ্রামের বাড়িতে আসতেন। বাবা মকসুদ আলী ছিলেন বরিশাল জেলার প্রথম ব্যক্তি যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাপ্লাইড ফিজিক্সে এম.এসসি. ডিগ্রি অজন করেছিলেন।

তিন ভাই আর পাঁচ বোনের মধ্যে ড. রশীদ সবার বড়। মেজভাই এ. এম. জাহাঙ্গীর কবীর একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী, আর ছোটভাই এ. এম. জাহিদ রেজা পেশায় একজন ডাক্তার। পাঁচ বোন রানী, মীরা, বীনা, খুকু আর শেফু।

ড. রশীদের বাবা-মা দুইজনেই খুব সংস্কৃতমনা উদার বিদগ্ধ মানুষ ছিলেন। বাবা সবসময় সবার সাথে গান-বাজনা নিয়ে কথা বলতেন। বাবার খুব ইচ্ছা ছিল ছেলেকে গান শেখাবেন। সরোজ আচার্য্য নামে একজন গানের শিক্ষকও রেখে দিয়েছিলেন ছেলের জন্যে। তাঁর কাছে বেশ কিছুদিন গান শিখেছিলেন ড. রশীদ। ছোট ভাই-বোনদের কথামতো খালি গলায় তিনি নাকি "ভালোই গাইতেন"। কিন্তু ১৯৪৭ সালে বাংলা বিভাগ হয়ে গেলে ঢাকায় এসে আর গান শেখা সম্ভব হয়নি।

শিক্ষাজীবন
ছয় বছর বয়সে কৃষ্ণনগরের রামবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার মাধ্যমে ড. রশীদ তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু করেন। সেখানে কয়েক বছর পড়ার পর তাঁর বাবা তাঁকে কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি করিয়ে দেন।
কলেজে আসার পর থেকেই তিনি পদার্থবিজ্ঞান পড়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং সেই তখন থেকে এখন পর্যন্ত পদার্থবিজ্ঞানের উপরই গবেষণা করে চলেছেন। তাঁর পদার্থবিজ্ঞানে আসার পিছনে প্রধান প্রেরণা ছিলেন তাঁর বাবা। বাবাও ছাত্রজীবনে পদার্থবিজ্ঞানের খুব ভালো ছাত্র ছিলেন এবং পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবেও ছিলেন খুবই নামকরা।

দশম শ্রেণী পর্যন্ত ড. রশীদ কৃষ্ণনগরের ঐ স্কুলেই লেখাপড়া করেছেন। ১৯৪৭ সালে বাংলা বিভাগ হলে তাঁর বাবাকে বদলি করে ঢাকা পাঠানো হলো। ঢাকা এসে বাবা ঢাকা কলেজে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিলেন। ঢাকা এসে তাঁর বাবা তাঁকে ভর্তি করিয়ে দিলেন ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে। তখন তাঁর ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষার মাত্র তিন মাস বাকি ছিল। এখানে তাঁর কোনোকিছুই ভালো লাগতো না, বারবার কৃষ্ণনগরের সেই স্কুলটার কথা মনে পড়তো। নতুন স্কুলে ক্লাস তেমন একটা করা হয়নি। তিনি ১৯৪৮ সালে তত্‍কালীন East Bengal Secondary Education Board এর অধীনে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে স্টারমার্কস সহ তিনটি বিষয়ে লেটার মার্কস (শতকরা ৮০ নম্বর এবং তার উপরে) পেয়ে সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম শ্রেণীতে চতুর্থ স্থান অধিকার করে উত্তীর্ণ হন এবং এই ফলাফলের জন্যে একটি প্রথম গ্রেড সরকারি বৃত্তি লাভ করেন।

তিনি ১৯৫০ সালে ইন্টারমিডিয়েট সায়েন্স পরীক্ষায় স্টারমার্কসসহ চারটি প্রধান বিষয়ের সবগুলিতে (ইংরেজী, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান ও গণিত) লেটার মার্কস পেয়ে সম্মিলিত মেধাতালিকায় প্রথম শ্রেণীতে তৃতীয় স্থান অধিকার করে উত্তীর্ণ হন এবং এই ফলাফলের জন্যেও একটি প্রথম গ্রেড সরকারি বৃত্তি লাভ করেন। তাঁর ইংরেজিতে লেটার মার্কস পাওয়াটা ছিল তখনকার সময়ে একটা বিরল ঘটনা।

এরপর তিনি এসে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে। তিনি ১৯৫৩ সালে এই বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করে বি.এসসি. সম্মান ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৫৪ সালে তিনি ঐ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্নাতকের মধ্যে সমন্বিতভাবে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার জন্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজা কালীনারায়ণ বৃত্তি লাভ করেন।

তিনি ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে পুনরায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করে এম.এসসি. ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওভারসীস বৃত্তি (Overseas Scholarship) নিয়ে উচ্চতর শিক্ষালাভের জন্য যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে (University of Glasgow, UK) যান।

গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে তিনি প্রফেসর আর. জি. মুরহাউজ এবং প্রফেসর বি. এইচ. ব্রান্সডেনের (Professor R.G. Moorhouse and Professor B.H. Bran sden) তত্ত্বাবধানে ক্ষেত্র তত্ত্বে টাম-ডানকফ আসন্ন মান (Tamm-Dancoff Approximation in Field Theory) ব্যবহার করে কে-মেসন নিউক্লিয়ন-এর একটি সমস্যার উপর কাজ করে ১৯৬০ সালে ঐ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

কর্মজীবন
ড. রশীদের কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৫৬ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এসসি. পাশ করার পরপরই চেয়ারম্যান এবং হেড অব দ্য ডিপার্টমেন্ট অধ্যাপক শচীন মিত্র তাঁকে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগদানের প্রস্তাব করেন। স্যারের কথামতো তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
এরপর তিনি যোগ দেন ঢাকাস্থ আনবিক শক্তি কমিশনে (Atomic Energy Commision, Dhaka)। এখানে তিনি ১৯৬২ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত প্রথমে সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার এবং পরবর্তীকালে প্রিন্সিপাল সায়েন্টিফিক অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

১৯৬৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তানের ইসলামাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান ইন্সটিটিউট-এর তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং পরবর্তীকালে পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং বোস সেন্টার ফর এডভান্সড স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ -এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৯ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন এবং ১৯৮৫ থেকে অবসর গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত (১৯৯৩ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন) তিনি ঐ বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সেন্টারের পরিচালক হিসেবেও কাজ করেন।

১৯৯৩ সালে তিন বত্‍সরের জন্য ড. রশীদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বোস অধ্যাপক নিযুক্ত হন। তিনি ২০০৬ সালে ইউ.জি.সি. ( U.G.C.- University Grants Commission) প্রফেসর নিযুক্ত হন।

এছাড়া তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন :
১. ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেট (Member of the Senate and Syndicate) -এর সদস্য ছিলেন।

২. ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলা একাডেমীর এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।

৩. তিনি এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ (Asiatic Society of Bangladesh)- এর সদস্য।

৪. তিনি বাংলাদেশ একাডেমী অব সায়েন্স (Bangladesh Academy of Science) - এর ফেলো ও সহসভাপতি ছিলেন।

৫. বাংলাদেশ সরকারের ন্যাশনাল কারিকুলাম কমিটি এবং এক্সামিনেশন রিফর্মস কমিটির (National Curriculum Committee as well as of Examination Reforms Committee, Govt. of Bangladesh) সদস্য হিসাবে তিনি কাজ করেছেন।

৬. তিনি দ্য আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটি (The American Physical Society)- এর সদস্য ছিলেন।

৭. ১৯৯২ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

৮. ১৯৯২ সালে তিনি থার্ড ওয়ার্ল্ড একাডেমী অব সায়েন্সেস (Third World Academy of Sciences) -এর ফেলো নির্বাচিত হন।

৯. তিনি ১৯৭২, ১৯৮৬ এবং ১৯৯৩ সালে নোবেল প্রাইজ নমিনেশন কমিটির সম্মানিত সদস্য হিসেবে কাজ করেন।

১০. তিনি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা ফিজিক্স গ্রুপ-এর অন্যতম সদস্য।

১১. তাঁকে ২০০৭ সালের ৩রা ডিসেম্বর বিজ্ঞান গবেষণা ও বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলা একাডেমী সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।

সম্মাননা

    হারুন অর রশিদ তার কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজা কালিনারায়ণ বৃত্তি লাভ করেন।
    ১৯৯১ সালে একুশে পদক লাভ করেন।
    ১৯৯৩ সালে তিন বত্‍সরের জন্য ড. রশীদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বোস অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
    ২০০৬ সালে ইউ.জি.সি. ( U.G.C.- University Grants Commission) প্রফেসর নিযুক্ত হন।
    বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে "বিজ্ঞান গ্রন্থবর্ষ ২০০৫" উপলক্ষে ভৌতবিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থ প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমী প্রদত্ত 'ভৌতবিজ্ঞান শাখা'য় বিজ্ঞান লেখক পদক হিসেবে স্বর্ণপদক লাভ করেন।

বই
অধ্যাপক ড. এ. এম. হারুন অর রশীদের বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা বইগুলোর নাম, প্রকাশকাল ও প্রকাশনা সংস্থার নাম উল্লেখ করা হলো:

    Nuclear Structure (এ. হোসেন এবং এম. ইসলামের সাথে যৌথভাবে); ১৯৬৭; উত্তর হল্যান্ড, আমস্টার্ডাম
    আইনস্টাইন ও আপেক্ষিক তত্ত্ব; ১৯৮৪ বাংলা একাডেমী
    বিংশ শতাব্দীর বিজ্ঞান (বাংলা একাডেমী বক্তৃতা); ১৯৮৫; বাংলা একাডেমী
    পদার্থবিজ্ঞানে বিপ্লব; ১৯৮৭; বাংলা একাডেমী
    Quantum Mechanics; ১৯৮৮; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    কম্পিউটারের কাহিনী; ১৯৮৮; আহমেদ পাবলিকেশন
    চিরায়ত বলবিজ্ঞান; ১৯৯০; বাংলা একাডেমী
    বিজ্ঞান ও দর্শন; ১৯৯১; বাংলা একাডেমী
    গ্ল্যাসো-সলাম-ভাইনবার্গ তত্ত্ব; ১৯৯২; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    চিরায়ত বিদ্যুৎ বলবিজ্ঞান; ১৯৯২; বাংলা একাডেমী
    উপমহাদেশের কয়েকজন বিজ্ঞানী; ১৯৯২; জিজ্ঞাসা
    বস্তুর সাধারণ ধর্ম; ১৯৯৩; বাংলা একাডেমী
    Satyen Bose in Dhaka; ১৯৯৪; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের কয়েকজন স্রষ্টা; ১৯৯৫; বাংলা একাডেমী
    সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব ও বিশ্বসৃষ্টি; ১৯৯৬; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    জগদীশ চন্দ্রের পত্রাবলী; ১৯৯৮; বাংলা একাডেমী
    Complex Variable and Special Functions of Mathematical Physics; ১৯৯৯; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    Geometrical Methods in Physics; ২০০০; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    ঘুরে ফিরে দেখা আমাদের মহাবিশ্ব; সাহিত্য পাবলিকেশন
    মৌলিক কণা; বাংলা একাডেমী
    পরিসংখ্যান বলবিজ্ঞান; বাংলা একাডেমী
    গ্রুপ তত্ত্ব ও পরিসংখ্যানে এর প্রয়োগ; ২০০২; বাংলা একাডেমী
    বিদ্যুত্‍ ও চুম্বক তত্ত্ব
    আধুনিক নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞান; ২০০৩; বাংলা একাডেমী
    Bangladesh Vision-2021; Bangladesh Academy of Sciences (ed.)
    Second National Symposium on Science and Technologies (ed.); Bangladesh Academy of Sciences (ed.)
    Introduction to Particle Physics (এরশাদ মোমেন-এর সাথে যৌথভাবে)
    Quantum Field Theory (এরশাদ মোমেন-এর সাথে যৌথভাবে)
    আকাশ-ভরা সূর্য-তারা; ১৯৮৮; আহমেদ পাবলিকেশন
    Our Alma Mater, From Bose-Einstein to Salam- Weinberg & Beyond, ২০০৬
    Quantum Field Theory
    অপূর্ব এই মহাবিশ্ব
    Our physics heritage and the new millennium
    Proceedings of the Second National Symposium on Science and Technology: Bangladesh Vision 2002
    Bangladesh Vision 2021: Proceedings of the National Symposium on Science and Technology
    নতুন শতাব্দীর নতুন দিগন্ত
    Collected Papers on Development of Science and Technology in Bangladesh
    নোবেল বিজয়ী আব্দুস সালামঃ আদর্শ ও বাস্তবতা
    Introduction to Practical Physics

সদস্য

    সিনেট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৭৪-১৯৭৭
    সিন্ডিকেট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৭৪-১৯৭৭
    নির্বাহী পরিষদ, বাংলা একাডেমী, ১৯৮৫-১৯৮৭
    এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ
    ফেলো, বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী
    ফেলো,
    থার্ড ওয়ার্ল্ড একাডেমী অফ সায়েন্স

Thursday, November 21, 2013

ম্যান vs ওয়াইল্ড এর নায়ক বিয়ার গ্রিলস

bear_grylls1পুরো নাম এডওয়ার্ড মাইকেল গ্রিলস । জন্ম
৭ই জুন , ১৯৭৪ সালে ,যুক্তরাজ্যে । বাবা মা উভয়েই ছিলেন রাজনীতিবিদ ।


আয়ারল্যান্ডে বেড়ে উঠেন ৪ বছর পর্যন্ত । বাল্যকালেই বাবার কাছে শিখে ফেলেন নৌকা চালানো ও পর্বতারোহণ । ৮ বছর বয়সে বাবা তাকে মাউন্ট এভারেষ্টের একটি ফটো দেন। তখনি তার মনে গেঁথে যায় এভারেষ্ট জয়ের স্বপ্ন । কৈশোরে শিখেন স্কাই ডাইভিং এবং মার্শাল আর্ট ।
স্কুল
লেভেল শেষ করে ঢুকেন সেনাবাহিনীতে । এ সময় তিনি বিভিন্ন পরিবেশে বেঁচে থাকার কলাকৌশলগুলো রপ্ত করেন । ১৯৯৬ সালে একটি প্যারাশুট ূর্ঘটনার শিকার হয়ে হাঁটতে অসমর্থ হয়ে পড়েন এবং সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন । যখন ভাবা হচ্ছিল তিনি আর হাটতে পারবেন না , তখন
সবাইকে অবাক করে দিয়ে মাত্র১৩ মাসে হাঁটাচলা শুরু করেন । এর পাঁচ মাস পর জয় করেন শৈশবের লালিত স্বপ্ন মাউন্ট এভারেষ্টকে । মাত্র ২৩ বছর বয়স ছিল তখন তার । এটি সর্বপ্রথম এভারেষ্টে সবচেয়ে কম বয়সে উঠার বিশ্বরেকর্ড । এরপর তার রেকর্ড আরো দুজন ভাঙে । এছাড়াও তিনি ভিক্টোরিয়া ফলসের হাজার হাজার ফুট উপরে কিছু সহযোগীকে নিয়ে একটি প্যারাশুট পার্টি করেন, যা কিনা আরেকটি বিশ্বরেকর্ড!
২০০৪ সালে তাকে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার উপাধিতে সম্মানিত করা হয় । ২০০৫ সালে তিনি এগারজন সহযোগীকে নিয়ে সাহারা মরুভূমিতে একটি সারভাইভল মিশন
চালান । এটি যুক্তরাষ্ট্রের চ্যানেল ফোরসহ আরো কয়েকটি চ্যানেলে দেখান হয় ।
BEAR-GRYLLS-bear-grylls-28887405-590-577
এরপর তিনি চ্যানেল ফোরের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন এবং তাকে নিয়ে একটি টিভি প্রোগাম বানানো হয় , যা ‘বর্ন সারভাইভর’ নামে পরিচিত । এই অনুষ্ঠানটি কানাডা , ইন্ডিয়াসহ কয়েকটি দেশে ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’ নামে সুপরিচিত । ২০০৬ থেকে ২০১২ এর মার্চ পর্যন্ত তিনি চ্যানেল ফোর তখা ডিসকভারি চ্যানেলের সাথে চুক্তিবদ্ধ থাকেন এবং মতের অমিল হওয়াতে চ্যানেল ফোর এ অনুষ্ঠানটি বানানো বন্ধ করে দেয় । সারা বিশ্বে ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’ এর দর্শক প্রায় ১.২ বিলিয়ন ্যাক্তিগত জীবনে তিনি তিন সন্তানের জনক এবং ‘বেয়ার’ নামটি তার স্ত্রীর দেয়া ! তিনি কয়েকটি বই লিখেছেন যার প্রতিটিই বেষ্ট
সেলার । ছোটদের জন্যও অনেক বই লিখেছেন । বিভিন্ন চ্যারিটি, স্কাউট এবং মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের সাথে তিনি জড়িত । তিনি প্রথম টিভিতে আসেন
একটি ডিওডোরান্ট এর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে । কয়েকটি টিভি সাক্ষাত্কার অনুষ্ঠানেও তিনি এসেছেন তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ‘অপেরা উইনফ্রে শো । তিনি ‘ক্ল্যাশ অব দ্যা টাইটান’ ছবিতেও অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন । কিন্তু তিনি আগ্রহী ছিলেননা এ ব্যাপারে । ” আমি বেয়ার গ্রিলস , আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে হয় । ” এডভেঞ্চারার ও রোমাঞ্চ প্রিয় যারা আছেন , তারা একথা শুনে শিহরিত হন না,
এমনটা হয়তো পাওয়া যাবে না !

Wednesday, November 20, 2013

স্টিভ জবস

Steve-Jobs 

স্টিভ জবস মারা যান ৫৬ বছর বয়সে। তিনি এই অল্প সময়েই রেখে গেছেন সমগ্র জাঁতির জন্য বিশাল অবদান এবং কর্ম প্রেরণা। তাই আজকে ব্লগিং এ তার কিছু অনুপ্রেরণা মূলক কথা দেখবঃ
Follow your heart
প্রথমে আপনি আপনার মনকে বুঝতে চেষ্টা করুন, দেখতে চেষ্টা করুন আপনার মন কি চাইছে, আপনাকে মূলত কি করতে বলছে, কোন পথে চলতে বলছে। আপনি আপনার মনকে গুরুত্ব দিন, গুরুত্ব দিন তার দেখানো পথে চলে। তবেই আপনি একদিন হয়ে উঠেতে পারবেন প্রভাবশালী ও ক্ষমতাসম্পন্ন।
Almost everything–all external expectations, all pride, all fear of embarrassment or failure–these things just fall away in the face of death, leaving only what is truly important. Remembering that you are going to die is the best way I know to avoid the trap of thinking you have something to lose. You are already naked. There is no reason not to follow your heart.
Trust yourself
বিশ্বাস রাখুন নিজের প্রতি। নিজের সিদ্ধান্তের প্রতি। আপনি যদি বিশ্বাস করে থাকেন যে আপনি আপনার কাজের ক্ষেত্র তৈরি করে নেবেন ব্লগের দ্বারা তবে বিশ্বাস রাখুন নিজের প্রতি। কখনো দমে যাবেন নাহ। প্রয়োজনে ঝুঁকি নিন, তবু কখনো পিছু হাঁটবেন না। দেখবেন একদিন আপনার বিশ্বাসই আপনাকে সঠিক পথের সন্ধান দেবে।
You can’t connect the dots looking forward; you can only connect them looking backwards. So you have to trust that the dots will somehow connect in your future. You have to trust in something — your gut, destiny, life, karma, whatever. This approach has never let me down, and it has made all the difference in my life.
Love what you do
ভালোবাসুন আপনার লক্ষ্যকে, আপনার ব্লগিং কে। আপনার ব্লগিং এর মাঝে ঢেলে দিন আপনার ভেতরের থাকা সকল আবেগ, কারণ আপনার আবেগ, অনুভূতি, ভালোবাসা , সম্মানই আপনাকে ব্যাপক ভাবে উৎসাহিত করবে আপনার সামনে এগিয়ে চলার প্রতি।
Your work is going to fill a large part of your life, and the only way to be truly satisfied is to do what you believe is great work. And the only way to do great work is to love what you do.
Go for a home run
কখনো আপনার লেখার মান নিয়ে কার্পণ্যতা করবেন না। এতে দেখা যায় আপনি আলসেমি বা কোন বেস্ততার কারণে আপনার লেখার মাঝে কার্পণ্যতা করে তা শুধু মাত্র পাবলিশ করার জন্য লিখেছেন! তবে চিন্তা করে দেখুন আপনার এই কাজটির জন্য আপনার সদ্য পাবলিশ হওয়া নিন্মমানের লেখা অনেকেরই পড়তে হচ্ছে, যার ফলে দেখা যাচ্ছে আগামীতে তারা ভালো পোস্টেকেও আগের পোষ্টের মতো খারাপ ভেবে ওপেন করে দেখছে না! তাই কিছু লিখতে হলে অবশ্যই সময় নিয়ে ভালোভাবে লিখুন। হোক না তা মাসে ১ টি! তারপরেও এমন ভাবে লেখুন যেন আপনার পোষ্টের প্রতি তাদের আকর্ষণ প্রতিনিয়তই রয়ে যায়। গণহারে পোষ্ট পাবলিশ করতেই হবে এমন তো আর কোন নিয়ম নেই।
Be a yardstick of quality. Some people aren’t used to an environment where excellence is expected. One home run is much better than two doubles.
Pick carefully
আপনি বেস্ত? সময় অনেক সংক্ষেপ? তারপরেও আপনার ব্লগে পোষ্ট দেয়া অতান্ত প্রয়োজন? তাহলে আপনার লেখার বিষয় বেছে নিন খুব যত্নসহকারে! এতে করে আপনি আপনার হাতে থাকা সময়ে সঠিক আর্টিকেল লিখতে পাড়বেন, নয়তো দেখা যাবে ১৫ মিনিটের একটি আর্টিকেল এর বিষয় নিয়ে আপনি তা ৫ মিনিটে লিখে পোষ্ট দিয়েছেন। যা কক্ষনোই সঠিক ভাবে পরিপূর্ণ নয়।
People think focus means saying yes to the thing you’ve got to focus on. It means saying no to the hundred other good ideas that there are. You have to pick carefully.
Work hard to make it simple
পরিশ্রম করুন, কঠিন পরিশ্রম। আপনার কাজকে সহজ করতেই আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। কারণ একবার পরিশ্রম করে আপনি যদি আপনার কাজকে সঠিক ভাবে বুঝতে ফেলতে সক্ষম হন, তবে পরবর্তী সময়ে আপনাকে কোন কঠিন পরিশ্রম না করেই এর ফায়দা উঠিয়ে চলতে পাড়বেন।
Design is not just what it looks like and feels like. Design is how it works. Simple can be harder than complex. You have to work hard to get your thinking clean to make it simple.
Steal great ideas
বেশি করে পড়ুন। এতে করে আপনার ভেতরের আইডিয়া গুলো, ইচ্ছে শক্তি গুলো আরো ব্যাপক ভাবে প্রসারিত হবে। আপনার কাছে নতুন, নতুন আইডিয়া আসার চেষ্টা করবে। ঠিক তখনি আপনি আপনার নিজের কাছ থেকেই আইডিয়া গুলো চুরি করার চেষ্টা করুন, চেষ্টা করুন বের করে নিয়ে এসে তা সমগ্র বিশ্ববাসির কাছে তুলে ধরতে।
We have always been shameless about stealing great ideas.
Your goal isn’t to make money
আর হ্যাঁ যে কথাটি সকলেই বলে থাকে তা হচ্ছে “আপনি আপনার লক্ষ্য কক্ষনো টাকা চাই, টাকা চাই ধাঁচের করবেন না। সব সময় চেষ্টা করুন সৃজনশীল কিছু করতে।” টাকাকে তাহলে অবশ্যই কোন না কোনোদিন আপনার কাছে ধরা দিতেই হবে।
Apple’s goal isn’t to make money. Our goal is to design and develop and bring to market good products. We trust as a consequence of that, people will like them, and as another consequence, we’ll make some money.
Don’t lose faith
সর্বশেষে আপনাকে বলবো প্লীজ আপনি কখনোই আপনার মনের মাঝে জাগ্রত হওয়া সত্যিকারের বিশ্বাস হারাবেন না। আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আমরা অল্পতেই বিশ্বাস হারাই, অন্তত নিজের উপড় বিশ্বাস। যার ফলে আমরা অন্যদের দ্বারা প্রায় সমই ধোঁকা খেয়ে থাকি। :(